মুম্বাইবাসীর জন্য বড় আর্থিক স্বস্তির খবর দিল বৃহন্মুম্বাই পুরসভা। আবাসিক বাড়ির সম্পত্তি কর মকুবের সীমা ৫০০ বর্গফুট থেকে বাড়িয়ে ৭০০ বর্গফুট করার প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে শহরের হাজার হাজার মধ্যবিত্ত পরিবার সরাসরি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পুরসভার নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এতদিন পর্যন্ত ৫০০ বর্গফুট পর্যন্ত বাড়ির মালিকদের সম্পত্তি কর দিতে হত না। এখন সেই সীমা বাড়িয়ে ৭০০ বর্গফুট করা হয়েছে। ফলে আরও অনেক পরিবার সম্পত্তি করের বোঝা থেকে মুক্তি পাবে। তবে এর ফলে পুরসভার রাজস্বে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার ঘাটতি হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।
Advertisement
পুরসভার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, শহরের বহু মানুষ পুনর্বিকাশ প্রকল্প বা ক্লাস্টার প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন ফ্ল্যাট পেলেও জীবনযাত্রার ব্যয়, রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ব্যয়ের চাপে সম্পত্তি কর দেওয়া তাঁদের পক্ষে কঠিন হয়ে উঠছিল। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করেই কর মকুবের সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের দাবি, ‘মুম্বাইয়ের বহু মধ্যবিত্ত পরিবার বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ, চিকিৎসা ও শিক্ষার খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে শহরের বাইরে চলে যেতে চাইছেন। কর মকুবের সীমা বাড়ালে তাঁদের আর্থিক চাপ কিছুটা কমবে। তাঁরা শহরেই থাকতে পারবেন।’
Advertisement
জানা গিয়েছে, এই প্রস্তাব প্রথম পুরসভার সভায় উত্থাপন করা হয়েছিল। অনুমোদনের পর এখন তা প্রশাসনিক বিভিন্ন স্তরে যাচাই ও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন এবং পুর কমিশনারের চূড়ান্ত স্বাক্ষরের পর আনুষ্ঠানিক নির্দেশ জারি করা হবে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই নীতিগত পরিবর্তন কার্যকর হলে শহরের বহু পরিবার তৎক্ষণাৎ আর্থিক স্বস্তি পাবে এবং জীবনযাত্রার খরচের চাপ কিছুটা কমবে। বিশেষ করে ছোট ফ্ল্যাটে বসবাসকারী মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বড় স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
Advertisement



