হোটান বিমানবন্দর চিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। দক্ষিণে তিব্বত, পশ্চিমে লাদাখ ও গিলগিট-বাল্টিস্তানের কাছাকাছি এই রুট আন্তর্জাতিক উড়ানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এই আবেদন এখনও চিনা কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় রয়েছে। অনুমতি মিললে অন্যান্য ভারতীয় বিমান সংস্থাও একই আবেদন করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
Advertisement
এদিকে ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন পশ্চিম এশিয়ার ১১টি দেশকে ‘হাই রিস্ক জোন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই তালিকায় রয়েছে ইরান, ইজরায়েল, লেবানন, সৌদি আরব, বাহরিন, ওমান, ইরাক, জর্ডন, কুয়েত, কাতার এবং ইউএই। সংশ্লিষ্ট দেশগুলির আকাশসীমা এড়িয়ে উড়ানের রুট বদলানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
‘নোটাম’ বা ‘নোটিস টু এয়ার মিশনস’ জারি থাকায় বিমান সংস্থাগুলিকে নতুন করে রুট পরিকল্পনা করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই পশ্চিম এশিয়ার আকাশসীমা ব্যবহার করে ইউরোপ, আমেরিকা ও কানাডাগামী একাধিক উড়ান বাতিল করেছে এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, ইন্ডিগো, আকাশা এয়ার ও স্পাইসজেট। চিনের রুট ব্যবহারের অনুমতি মিললে দীর্ঘপথের উড়ানে সময় ও জ্বালানি খরচ কিছুটা কমতে পারে। যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে সেটাই এখন ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলির বড় স্বস্তি হয়ে উঠতে পারে।
Advertisement



