• facebook
  • twitter
Thursday, 29 January, 2026

বৈঠকের সময় বদল, ২ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে মুখোমুখি মমতা ও কমিশন

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, 'আমাকে তোমরা ঘেঁচু করবে। জেলে ভরো, গুলি করো—আই ডোন্ট কেয়ার! আমি সব কিছুর জন্য তৈরি। আমি জেলে গেলে মায়েরা জবাব দেবে, বোনেরা জবাব দেবে।'

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

এসআইআর ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এই সপ্তাহে নয়। আগামী সপ্তাহের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রীকে বৈঠকের সময় দিয়েছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারই তাঁর নির্বাচন সদনে কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আপাতত সেই সফরের সময় বদল করা হয়েছে।

সূত্রের খবর, কমিশনের তরফে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার বিকেল ৪টেয় দিল্লির নির্বাচনী সদনে মুখ্যমন্ত্রীকে সময় দেওয়া হয়েছে। যদিও ওই দিন তিনি যাবেন কি না, তা নিয়ে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। তৃণমূল সূত্রে দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী একা নয়, একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চান। সেই দলে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় ‘মৃত’ ভোটার হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার অভিযোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতিনিধিদেরও থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

Advertisement

বুধবার সিঙ্গুরে সভা সেরে সেখান থেকেই দিল্লি রওনা দেওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। কিন্তু সকালে এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর খবর পেয়ে সফর একদিন পিছোনোর সিদ্ধান্ত নেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। বুধবার সিঙ্গুরের সভা থেকে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ‘আজ না হলে কাল আমি দিল্লি যাবই। দরকার হলে কোর্টেও যাব। আইনজীবী হয়ে নয়, সাধারণ মানুষ হিসেবে। সব ডকুমেন্ট রেখে দিয়েছি। জ্যান্ত মানুষকে মৃত বানাচ্ছেন।’

Advertisement

এসআইআর ইস্যুতে বাংলার কোনও যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়লে তিনি চুপ করে থাকবেন না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, ‘আমাকে তোমরা ঘেঁচু করবে। জেলে ভরো, গুলি করো—আই ডোন্ট কেয়ার! আমি সব কিছুর জন্য তৈরি। আমি জেলে গেলে মায়েরা জবাব দেবে, বোনেরা জবাব দেবে।’ সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া ঘিরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর এবং নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সম্ভাব্য সাক্ষাৎ রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে কৌতূহল বাড়িয়েছে।

Advertisement