• facebook
  • twitter
Saturday, 17 January, 2026

বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হিংসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ ব্রিটিশ সাংসদের

ব্রিটেনের পার্লামেন্টে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ, সেখানে প্রতিনিয়ত অত্যাচারিত হচ্ছেন ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা। বিশেষ করে হিন্দুরা অত্যাচারের শিকার হচ্ছেন। ব্রিটেনের আইনপ্রণেতা বব ব্ল্যাকম্যান বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।তিনি বলেন, ‘হিন্দুদের রাস্তায় হত্যা করা হচ্ছে, বাড়ি-ঘর ও মন্দির পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই পরিণতির শিকার হচ্ছেন।’ 

 
ব্রিটেনের সংসদে বক্তৃতা দেওয়ার সময় ব্ল্যাকম্যান সতর্ক করে বলেন যে, বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন। কিন্তু তার আগে সেই দেশের গণতান্ত্রিক অবস্থা উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
বিষয়টি উল্লেখ করে বব ব্ল্যাকম্যান বলেন, ‘ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল। কিন্তু সেই দলকেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যদিও জনমত সমীক্ষায় তাদের সমর্থন প্রায় ৩০ শতাংশ।ইসলামিক চরমপন্থীরা দেশের সংবিধানে পরিবর্তন আনতে গণভোটের দাবি জানিয়েছে।’ 
 
ব্রিটিশ সংসদ সদস্য ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিবের কাছ থেকে একটি বিবৃতি দাবি করেছেন, যে বিবৃতিতে জানাতে হবে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য কী কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে।পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশে অবাধ, সুষ্ঠু এবং অন্তুর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে কী পদক্ষেপ করা হবে তাও উল্লেখ করার কথা বলা হয়েছে এই বিবৃতিতে। 
 
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে ৪ জন ব্রিটিশ সংসদ সদস্য, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে  বাংলাদেশে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, বিপুলভাবে সমর্থিত অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির উপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলেছেন যে, এই ধরণের পদক্ষেপ রাষ্ট্রসংঘের নিয়ম বা পরামর্শ উপেক্ষা করার সামিল। পাশাপাশি যুক্তরাজ্য-সহ বাংলাদেশের অন্যান্য যেসব দীর্ঘস্থায়ী মিত্র দেশগুলি রয়েছে তাদের সঙ্গে সম্পর্কের বিচারে মূল নীতির বিরোধী। 
 
এক যৌথ বিবৃতিতে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা বব ব্ল্যাকম্যান, জিম শ্যানন, জ্যস অটওয়াল এবং ক্রিস ল জোরের সঙ্গে বলেন যে, ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অনির্বাচিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেভাবে ভোটারদের উপর নানা বিধিনিষেধ চাপিয়েছে তা অনুচিত। একই সঙ্গে তাঁদের সতর্কবার্তা, প্রধান রাজনৈতিক দলগুলিকে বাদ দিয়ে কোনও নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক বলা যায় না।   
  

Advertisement

Advertisement