• facebook
  • twitter
Thursday, 29 January, 2026

আমেরিকায় ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ নেতাকে হত্যা, শহিদ তকমা মার্কিন প্রেসিডেন্টের

এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চার্লিকে ‘মহান দেশপ্রেমিক এবং শহিদ’ বলে সম্বোধন করেছেন তিনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হল। মৃতের নাম চার্লি কির্ক। বুধবার আমেরিকার ইউটা ভ্যালি ইউনিভার্সিটিতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বছর একত্রিশের চার্লি। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। চার্লিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত বন্দুকবাজের সন্ধান পায়নি পুলিশ।

চার্লির মৃত্যুর ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। চার্লিকে ‘মহান দেশপ্রেমিক এবং শহিদ’ বলে সম্বোধন করেছেন তিনি। সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমেরিকার যুবসমাজকে হাতের তালুর মতো চিনতেন চার্লি কির্ক। সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করত, ভালোবাসত। চার্লির স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে রবিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আমেরিকার সর্বত্র জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

Advertisement

গোঁড়া এবং রক্ষণশীল রিপাবলিকান হিসাবে মার্কিন মুলুকে পরিচিত ছিলেন চার্লি। গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ছাত্র-যুবদের ভোট রিপাবলিকান পার্টির ঝুলিতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। সম্প্রতি আমেরিকার কলোরাডো থেকে ভার্জিনিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সফর করার পরিকল্পনা করেছিলেন চার্লি। নাম দিয়েছিলেন, ‘দ্য আমেরিকান কামব্যাক ট্যুর’। ওই সফরেই ইউটার বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন চার্লি।

Advertisement

এই হত্যাকাণ্ডের জন্য আমেরিকার বিপ্লবী বামপন্থীদের দায়ী করেছেন ট্রাম্প। তিনি লেখেন, ‘বিপ্লবী বামপন্থীরা চার্লির মতো দুর্দান্ত মানুষের সঙ্গে কুখ্যাত অপরাধীদের সঙ্গে তুলনা করে গিয়েছেন। এই ধরনের প্রচারের জন্যই আজ আমেরিকাকে এমন সন্ত্রাসবাদী ঘটনার সাক্ষী হতে হল। এই জাতীয় ঘটনার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, প্রত্যেকের কড়া শাস্তি হবে।’

সূত্রের খবর, হামলার সময় চার্লির পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। সেটির সামনের দিকে বুকের অংশে কালো রঙে বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিল ‘ফ্রিডম’। তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করার সময় চার্লি একটি তাঁবুর নিচে চেয়ারে বসে উপস্থিত দর্শকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন। কির্ক তখন ‘ট্রান্সজেন্ডার শুটার, ম্যাসশুটার’ নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই গুলির শব্দ শোনা যায়। আচমকা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, তাঁর ঘাড় থেকে রক্ত ছিটকে বের হচ্ছিল।

তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ক্যাম্পাসের ভেতর থেকেই গুলি করা হয়েছে, সম্ভবত ছাদ থেকে। হামলাকারী গাঢ় রঙের পোশাক পরে ছিলেন। ডেমোক্রেটিক দলের নেতারাও কার্ককে গুলি করে হত্যার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। কমলা হ্যারিস বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক হিংসার কোনও স্থান নেই।’

Advertisement