• facebook
  • twitter
Tuesday, 10 March, 2026

চন্দ্রযান ৫-এর জন্য কেন্দ্রের অনুমোদন

চাঁদে ২৫০ কেজির রোভার নামাবে ইসরো

ফাইল চিত্র

মহাকাশ গবেষণায় নয়া মাইল ফলকের জন্য তৈরি ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। চন্দ্রযান ৫-এর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ছাড়পত্র পেয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসরো প্রধান ভি নারায়ণন। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যে ভারত।ইতিহাস তৈরি করেছে। এরপর গত বছরই চন্দ্রযান-৪ অভিযানের জন্য অনুমোদন দিয়েছিল কেন্দ্র। এবার ৫-এর জন্যও প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র মেলায় কোমর বেঁধে তৈরি হবে ইসরো।

চন্দ্রপৃষ্ঠের গবেষণার জন্য প্রথমবার ২০০৮ সালে অভিযান চালিয়েছিল ইসরো। চন্দ্রযান ১-এর  অভিযানে চাঁদের রাসায়নিক, খনিজ এবং ফটো-জিয়োলজিক (আলো-ভূতাত্ত্বিক) ম্যাপিং করা হয়েছিল। সফল না-হলেও চন্দ্রযান ২-এর উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা থেকে প্রচুর ছবি পাচ্ছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এরপর চাঁদে অনুসন্ধান এবং পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য রোভার ‘প্রজ্ঞান’কে পাঠানো হয়েছিল চন্দ্রযান ৩-এর সঙ্গে। ওই রোভার যন্ত্রটির ওজন ছিল ২৫ কেজি। এবার আরও বেশি ওজনের রোভার যন্ত্র চন্দ্রপৃষ্ঠে পাঠাতে চায় ইসরো। রবিবার ইসরো-কর্তা জানিয়েছেন, চাঁদের পৃষ্ঠদেশে অনুসন্ধানের জন্য চন্দ্রযান-৫ যে রোভারটি নিয়ে যাবে, সেটির ওজন হবে ২৫০ কেজি। বস্তুত, চাঁদের পৃষ্ঠদেশ নিয়ে গবেষণার জন্যই চন্দ্রযান কর্মসূচি শুরু করেছে ইসরো।

Advertisement

ভারতের মহাকাশ গবেষণা এবং চন্দ্রাভিযানে অন্যতম বড় সাফল্য এসেছে চন্দ্রযান ৩-এর হাত ধরে। চন্দ্রযান-২ থেকে লক্ষ্য পূরণ না-হওয়ায় চন্দ্রযান-৩ মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। সেটি চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণ করেছিল। চন্দ্রযান-৩-এর ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ যেখানে অবতরণ করে, বিশ্বের অন্য কোনও দেশ সেখানে মহাকাশযান পাঠাতে পারেনি। ২০২৩ সালের ২৩ অগস্ট, চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল তৃতীয় চন্দ্রযানের ল্যান্ডার বিক্রম। পাখির পালকের মতো অবতরণ করেছিল ল্যান্ডারটি, যা এর আগে কেউ কখনও করতে পারেনি। এই সাফল্যের পরে ২০২৪ সালে চন্দ্রযান-৪ এবং ২০২৫ সালে চন্দ্রযান-৫ কেন্দ্রের অনুমোদন পেল।  এই চন্দ্রাভিযানে সাহায্য করবে জাপান।

Advertisement

Advertisement