• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 15 September, 2026

মহারাষ্ট্রের পালঘরে বাঙালি বধূর কাটা মুণ্ডু উদ্ধার

ওই মহিলার নাম উৎপলা। তাঁর স্বামীর নাম হরিশ হিপ্পারগি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওই সোনার দোকানের মালিক জানায়, মৃত মহিলা তাঁদের দোকানের খরিদ্দার ছিলেন।

মহারাষ্ট্রের পালঘরে বাঙালি বধূর কাটা মুণ্ডু উদ্ধার

Pakistan Spy Arrested Photo-Representative

কুমোরটুলির ট্রলি ব্যাগের ছায়া এবার ভিন রাজ্যেও। এক বাঙালি বধূকে খুন করে টুকরো টুকরো দেহ ব্যাগে ভরার অভিযোগ উঠল তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। মহারাষ্ট্রের পালঘরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। ব্যাগের মধ্যে কাটা মুন্ডু ভরে রাস্তায় ফেলে দেন গুণধর স্বামী। পরিত্যক্ত ওই ব্যাগকে ঘিরে এলাকায় যথেষ্ট আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার। পালঘরের ভিরা এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ব্যাগকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দেন। উদ্ধার হয় একজন মহিলার মাথার খুলি ও গয়নার ব্যাগ। ওই গয়নার ব্যাগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি স্বর্ণকারের দোকানের ঠিকানা উদ্ধার হয়, যেখানে দোকানের ফোন নম্বরও দেওয়া হয়। এরপর সোনার দোকানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে মহিলার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

তদন্তে জানা যায়, ওই মহিলার নাম উৎপলা। তাঁর স্বামীর নাম হরিশ হিপ্পারগি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওই সোনার দোকানের মালিক জানায়, মৃত মহিলা তাঁদের দোকানের খরিদ্দার ছিলেন। দোকানদার মহিলার ফোন নম্বর দিলেও সেই নম্বরে যোগাযোগ করা যায়নি। কারণ ওই ফোন নম্বরটি গত প্রায় দুই মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এরপর পুলিশ মহিলার স্বামী হরিশকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত শুরু করে। জেরার মুখে সে স্বীকার করে নেয়, স্ত্রী উৎপলাকে সে নিজেই খুন করেছে। স্বামী-স্ত্রী অশান্তির জেরেই উৎপলাকে খুন করেছে হরিশ।

পুলিশি জেরায় হরিশ স্বীকার করেছে, তাঁর সঙ্গে বিয়ে হওয়ার আগে উৎপলার আরও একবার বিয়ে হয়েছিল। প্রথম পক্ষের একটি ছেলেও রয়েছে উৎপলার। এই ছেলেকে নিয়েই দু’জনের মধ্যে অশান্তি লেগে থাকতো। গত ৮ জানুয়ারি দুজনের অশান্তি চরম আকার ধারন করে। তখন রাগের বশে উৎপলাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে হরিশ। এরপর পালঘরের ভিরার একটি নির্জন জায়গায় গিয়ে দেহ থেকে মাথা আলাদা করে ভিরা এলাকায় ব্যাগে ভরে ফেলে দিয়ে আসে। বাকি দেহ টুকরো করে একটি খালে ফেলে দেয়।

এদিকে বাড়ি ফিরে উৎপলার প্রথম পক্ষের ছেলেকে জানায়, তার মা বাপের বাড়ি গিয়েছে। পরের দিনই হরিশ নিজের ফোন নম্বর এবং ঠিকানা বদলে ফেলে। অবশেষে দু’মাস পর সেই খুনের ঘটনা সামনে এলো।