• facebook
  • twitter
Monday, 30 March, 2026

প্রবল বৃষ্টিতে বাড়ি ভেঙে মর্মান্তিক মৃত্যু, পাকিস্তানে প্রাণ গেল ১৭ জনের

অ্যাবোটাবাদের হাভেলিয়ান তহসিলের খৈতার হাজিয়া গলি এলাকায় একটি ঘরের ছাদ ধসে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। লাগাতার বৃষ্টির ফলে অন্তত ১১টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

প্রবল বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে। ঘর ও দেওয়াল ভেঙে একাধিক জায়গায় অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৪ জনই শিশু। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫৬ জন। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার বৃষ্টির ফলে এই বিপর্যয় নেমে এসেছে বলে জানা গিয়েছে।

প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বান্নু জেলায়। সেখানে আটজনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে সাতজন শিশু এবং একজন মহিলা। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। এছাড়া অ্যাবোটাবাদে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে চারজনই শিশু। কোহাটে দু’জন, উত্তর ওয়াজিরিস্তানে একজন এবং বাট্টাগ্রামে এক মহিলার মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, বৃষ্টির জেরে পাকিস্তানের একাধিক জায়গায় ঘরের ছাদ ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। বান্নুর দাদ কাচলট এলাকায় একটি ঘরের ছাদ ভেঙে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অন্য একটি ঘটনায়, কোটকা গুলাম কাদির এলাকায় একটি কমিউনিটি সেন্টারের বারান্দার ছাদ ধসে আরও দু’জনের মৃত্যু এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন।

Advertisement

এছাড়া মামা খেল এলাকায় দেওয়াল ভেঙে প্রাণ হারিয়েছে দুই শিশু। শামদি খেল এলাকায় একটি ঘরের ছাদ ধসে পড়ে এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। কোহাটের গুম্বাট এলাকাতেও একইভাবে ছাদ ভেঙে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অ্যাবোটাবাদের হাভেলিয়ান তহসিলের খৈতার হাজিয়া গলি এলাকায় একটি ঘরের ছাদ ধসে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। লাগাতার বৃষ্টির ফলে অন্তত ১১টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। লাক্কি মারওয়াট এলাকায় ছাদ ধসে দুই শিশু আহত হয়েছে। নওশেরা এলাকাতেও একটি ঘরের ছাদ ভেঙে দুই পুরুষ ও দুই মহিলা আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আবহাওয়া আরও খারাপ হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Advertisement