• facebook
  • twitter
Thursday, 23 April, 2026

ট্রাম্পকে বার্তা দিতে তেহরানের রাস্তায় ক্ষেপণাস্ত্র মিছিল, বাড়ছে আন্তর্জাতিক চাপানউতোর

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই রাজধানী তেহরানের রাস্তায় সামরিক শক্তির প্রকাশ্য প্রদর্শন করল ইরান

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই রাজধানী তেহরানের রাস্তায় সামরিক শক্তির প্রকাশ্য প্রদর্শন করল ইরান। খোরামশাহ ও কাদরের মতো একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে রীতিমতো মহড়া হয় শহরের গুরুত্বপূর্ণ রেভলিউশন স্কোয়ার এলাকায়। সেই মহড়ার ভিডিও প্রকাশ করেছে তেহরান, যা সম্প্রচারিত হয়েছে ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমেও (যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি)।

ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, হাজার হাজার মানুষ জাতীয় পতাকা হাতে এই শক্তিপ্রদর্শনে অংশ নিচ্ছেন। রাস্তায় নেমে উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছেন সাধারণ ইরানবাসী। উল্লেখযোগ্য হল, এমন সময়ে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে, যখন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র।

Advertisement

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সামরিক মহড়া প্রদর্শনের মাধ্যমে সরাসরি বার্তা দিতে চেয়েছে ইরান। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বার বার দাবি করে আসছিলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার শেষের পথে। তখন সেই দাবির কোনও সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান। এবার যুদ্ধবিরতির মধ্যেই শক্তি প্রদর্শন করে তার পাল্টা জবাব দিল তেহরান।

Advertisement

আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ মনোবল বাড়ানোর জন্য নয়, কূটনৈতিক চাপ তৈরি করার কৌশলও। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক হামলার পরেও ইরান কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও কামিকাজে ড্রোন তৈরি করেছে। ওয়াশিংটন এবং ইজরায়েল বার বার দাবি করেছে, ইরানের একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। যদিও ইরান সেই দাবিকে নস্যাৎ করে এসেছে।  বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন এই শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে ইরানের স্পষ্ট বার্তা, তাদের সামরিক ক্ষমতা এখনও অটুট এবং প্রয়োজন হলে ফের সংঘাতে নামার মতো প্রস্তুতিও রয়েছে।

Advertisement