টেক্সাসের একটি পানশালায় শুটআউট। স্থানীয় সময় সকালে ‘বুফোর্ড’ নামে একটি বার থেকে জরুরি ফোন পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। সেখানে পৌঁছেই তারা এক সশস্ত্র ব্যক্তির মুখোমুখি হয় এবং শুরু হয় গুলির লড়াই। পুলিশের দাবি, সংঘর্ষের মধ্যেই সন্দেহভাজন আততায়ীর মৃত্যু হয়েছে।
তবে তার আগে বন্দুকবাজের গুলিতে দু’জন নিরীহ মানুষের প্রাণ যায়। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুরুতর জখমদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
Advertisement
এই ঘটনার পিছনে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। সম্প্রতি ইরান নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে। আমেরিকার শর্তে নতুন করে পরমাণু চুক্তিতে সম্মত না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এরপর আমেরিকা এবং ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানে সামরিক হামলা চালায়। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনি নিহত হয়েছেন।
Advertisement
এই প্রেক্ষাপটে টেক্সাসের হামলাটি নাশকতা বা প্রতিশোধমূলক আক্রমণ কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও স্থানীয় পুলিশ এখনই কোনও আন্তর্জাতিক যোগের কথা নিশ্চিত করছে না। তদন্তকারীরা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছেন এবং হামলাকারীর পরিচয় ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
Advertisement



