• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 23 July, 2026

গ্যাসের সরবরাহে ঘাটতি, ঢাকায় অনেক জায়গাতে হাঁড়ি চড়েনি

আজ বৃহস্পতিবার। আজ সারা বাংলাদেশে, বিশেষ করে ঢাকায়, অনেক বাড়িতে রান্না হয়নি। দেখা মেলেনি সেই চেনা ছবির।

গ্যাসের সরবরাহে ঘাটতি,  ঢাকায় অনেক জায়গাতে হাঁড়ি চড়েনি

ছবি সোশ্যাল মিডিয়া

আজ বৃহস্পতিবার। আজ সারা বাংলাদেশে, বিশেষ করে ঢাকায়, অনেক বাড়িতে রান্না হয়নি। দেখা মেলেনি সেই চেনা ছবির। ওভেনে হাঁড়ি নেই, রান্নাঘরে অচেনা এক স্তব্ধতা। কারণও সবার জানা। গ্যাস নেই। এই সংকটটা এবার বেশ বড়, সরকারও সেটা মেনে নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

দুপুরের দিকে, শুধু গৃহস্থবাড়ি নয়, হোটেল-রেস্তোরাঁ, এমনকি ছোটো খাবারের দোকানও খাবার দিতে পারছে না। রাস্তায় সিএনজি, প্রাইভেট কার, বাস—সব কম। গ্যাস ফিলিং স্টেশনগুলোর সামনে বুধবার রাত থেকেই বিশাল লাইন, এখনো সেই ভিড় কমেনি। পরিবহন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবন চারদিকে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়েছে, স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখাতে বাধ্য হয়েছেন।

এদিকে, গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রও থেমে আছে। ফলে, বিদ্যুতের সাপ্লাইও কম রয়েছে। গরমে এমনিতেই মানুষ নাকাল। তার ওপর এখন গ্যাস আর বিদ্যুৎ দুই-ই অনিশ্চিত। সব মিলিয়ে নাজেহাল অবস্থায় বাংলাদেশ।

সরকারি ভাষায় বললে, কারিগরি ত্রুটির কারণে দেশের এক ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। ন্যাশনাল গ্রিডে এতটা ঘাটতি, তাই সব জায়গায় গ্যাসের ব্যাপক সংকট—ইন্ডাস্ট্রি, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশন কিংবা বাসাবাড়ি কোথাও পরিস্থিতি ঠিক নেই। এখন কেবল সবাই পথ চেয়ে আছে, কবে আবার গ্যাস পরিষেবা স্বাভাবিক হবে।