২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হতে হাতে গোনা আর মাত্র ১৮ দিন বাকি। তার আগেই ফের একবার চর্চার কেন্দ্রে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রাইওন্ডা’। নতুন এই বল তৈরি করেছে এডিডাস। তিনটি আয়োজক দেশ আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকো’কে সম্মান জানিয়ে বলটির নাম রাখা হয়েছে ‘ট্রাইওন্ডা’, যার অর্থ ‘তিনটি ঢেউ’।তবে, বিশ্বকাপের ম্যাচ বলের প্রধান বিশেষত্ব অবশ্যই প্রযুক্তিগত উন্নয়ন। চার প্যানেলের এই বলে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক ডিপ-সিম প্রযুক্তি রয়েছে, যা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার ডেটা সংগ্রহ করতে পারে।
ফলে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার বলের গতিবিধি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। কোন খেলোয়াড় বল স্পর্শ করলেন, বলের গতি কত বা কোন দিকে যাচ্ছে, মুহূর্তের মধ্যে সেই সব তথ্য পৌঁছে যাবে ম্যাচ অফিসিয়ালদের কাছে।ফিফার পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, এই প্রযুক্তি ভিএআর সিদ্ধান্তকে আরও নির্ভুল এবং দ্রুত করতে সাহায্য করবে। একইসঙ্গে বাতাসে বলের স্থিতিশীলতাও বাড়াবে।
Advertisement
সেন্সরের ওজন মাত্র ১৪ গ্রাম হওয়ায় বলের স্বাভাবিক গতি বা বাউন্সে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করছেন ফিফা আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, সম্পূর্ণ চার্জে ছ’ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে সেন্সর। ফলে, একবার চার্জ করিয়ে নিলে ম্যাচের আগের প্রস্তুতির সময়-সহ একটি গোটা ম্যাচ অনায়াসে খেলা যাবে। তাই এখন দেখার বিষয় হলো, প্রযুক্তিনির্ভর এই ‘স্মার্ট বল’ বিশ্বকাপ ফুটবলে রেফারিদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কতটা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
Advertisement
Advertisement



