• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 4 June, 2026

কোচি টাস্কার্স বিতর্কে বিস্ফোরক ললিত মোদী

প্রাক্তন IPL চেয়ারম্যান ললিত মোদী ফের একবার বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। কোচি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা কাঠামো নিয়ে তিনি উদ্বেগে ছিলেন।

প্রাক্তন আইপিএল চেয়ারম্যান ললিত মোদী ফের একবার বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, কোচি টাস্কার্স কেরল ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তোলার পরে তৎকালীন ইউপিএ সরকারের প্রভাবশালী মহল তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শশী থারুরের প্রয়াত স্ত্রী সুনন্দা পুষ্করের শেয়ারহোল্ডিং নিয়ে আপত্তি জানানোর জেরেই তাঁকে রাজনৈতিক চাপ ও বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়েছিল।

এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ললিত মোদী জানিয়েছেন,  কোচি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা কাঠামো নিয়ে তিনি উদ্বেগে ছিলেন। বিশেষ করে সুনন্দা পুষ্কর কীভাবে অংশীদারিত্ব পেলেন,  তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, এই বিষয়টি সামনে আসতেই তৎকালীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শশী থারুরের পক্ষে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব সক্রিয় হয়ে ওঠে।

মোদীর অভিযোগ,  সোনিয়া গান্ধী, আহমেদ পটেল ও প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ কংগ্রেস নেতারা এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তাঁর কথায়, চারদিক থেকে আমার উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল।

কোচি ফ্র্যাঞ্চাইজির বিড প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মোদী বলেন, ‘প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব দিয়ে দলটি আইপিএলে প্রবেশাধিকার পেয়েছিল।’ কিন্তু অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি জানতে পারেন,  সুনন্দা পুষ্করকে উল্লেখযোগ্য শেয়ার বরাদ্দ করা হয়েছিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন,  ‘সুনন্দা পুষ্কর কে?  কেন তাঁকে এত বড় অংশীদারিত্ব দেওয়া হচ্ছে?’

মোদীর দাবি,  তিনি আগেই এ নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। পরবর্তীতে কোচি টাস্কার্স কেরল মাত্র একটি মরশুম খেলেই আইপিএল থেকে বিদায় নেয়। এরপরে ২০১১ সালে বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজির চুক্তি বাতিল করে। সেই সাক্ষাৎকারে মোদী আরও দাবি জানান,  শশী থারুর তাঁকে ফোন করে সুনন্দা পুষ্করকে নিয়ে প্রশ্ন না তোলার অনুরোধ করেছিলেন। যদিও তিনি সেই অনুরোধ মানেননি। সেই সঙ্গে সমস্ত শেয়ারহোল্ডারের পরিচয় স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেন।

এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন,  তৎকালীন বিসিসিআই সভাপতি শশাঙ্ক মনোহর তাঁকে ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। মোদীর দাবি, তিনি ‘চাপের মুখে’ পড়ে সেই চুক্তিতে সই করেছিলেন। তবে ললিত মোদী যাঁদের বিরুদ্ধে এই সব অভিযোগ তুলেছেন, তাঁদের তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।