আজ ব্রিস্টলে চতুর্থ টি-২০ ম্যাচে দলে ফিরতে পারেন সঞ্জু স্যামসন। তবে তিনি দলে ফিরলে বৈভব সূর্যবঙশীকে ফের বসানো হবে কিনা, এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
বিশ্বকাপজয়ী দল থেকে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়—দু’জনকেই বাদ দেওয়ার পর নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টের উপর চাপ আরও বেড়েছে।
বিশ্বকাপের পর থেকে ভারত চারটি ম্যাচের একটিতেও জিততে পারেনি। এর মধ্যে রয়েছে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হারও। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আয়ারল্যান্ডের কাছে ভারত কখনও হারেনি। সেই কারণেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এই চার ম্যাচের কোনোটিতেই সঞ্জু ভাল রান পাননি। তাকে বসিয়ে দলে বৈভবকে এনেও তেমন লাভ হয়নি। তাই হয়তো বৃহস্পতিবারের ম্যাচে সঞ্জুকে ফেরানো হতে পারে।
তাঁকে নিয়ে কোচ গৌতম গম্ভীরের মন্তব্যই এই জল্পনাকে উস্কে দিয়েছে। তৃতীয় টি-২০-র পর গম্ভীর বলেন, “সঞ্জু স্যামসনের যে স্পষ্ট বার্তাটা পাওয়া উচিত ছিল, সেটা ও আমার কাছ থেকেই পেয়েছে। তবে সেটা একজন প্রধান কোচ এবং একজন খেলোয়াড়ের মধ্যে হওয়া ব্যক্তিগত আলোচনা। সেই কথোপকথনের বিষয়বস্তু আমরা অবশ্যই আপনাদের জানাব না।
“তবে বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে সঞ্জু যা করেছে, তা অসাধারণ। আবার কখনও কখনও কোনও নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের বর্তমান ফর্মের দিকেও নজর দিতে হয়। আর এমন কোনও কঠোর নিয়ম নেই যে, এই সিরিজেই সে আর দলে ফিরতে পারবে না”।
ভারতের কোচ আরো বলেন, “আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শেষ পর্যন্ত ফলাফলই সবচেয়ে বড়। আমাদের মতে যে কম্বিনেশন দলকে সেরা ফল এনে দিতে পারে, আমরা সেই কম্বিনেশনই খেলাই, সেই একাদশকেই মাঠে নামাই। আমি সবসময়ই এই বিশ্বাসে আস্থা রেখেছি যে, প্রত্যেককেই নিজের জায়গা অর্জন করতে হয়। ভারতের হয়ে খেলার অধিকারও প্রত্যেককেই নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে অর্জন করতে হবে।”
গম্ভীরের মতে, ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝা এবং পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের আরও উন্নতি করতে হবে। তবে তাঁর দাবি, সাম্প্রতিক ফলাফল এটাও প্রমাণ করে যে টি-২০ দলটি এখন নতুনভাবে নিজেদের গড়ে তোলার পর্যায়ে রয়েছে, তাই কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।
আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের এই ব্যর্থতার আগে ভারত টানা ১৬টি টি-২০ সিরিজ বা টুর্নামেন্টে অপরাজিত ছিল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই তারা ইতিহাস গড়ে প্রথম দল হিসেবে টি-২০ বিশ্বকাপ সফলভাবে ধরে রাখার কৃতিত্ব অর্জন করে।
সেই দলের এখন এই অবস্থা দেখে অবাক বিশেষজ্ঞরা। এখন বাকি দুটি ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা আনাই লক্ষ্য ভারতের।




