• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 20 September, 2026

রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রচারে খোদ মমতা, থাকবেন অভিষেকও, তালিকায় আর কারা?

অন্যদিকে এই উপনির্বাচনে প্রচারকের তালিকায় আছেন দোলা সেন থেকে সৌগত রায়। আইটি সেলের প্রধান উপাসনা চৌধুরী থেকে

রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রচারে খোদ মমতা, থাকবেন অভিষেকও, তালিকায় আর কারা?

Mamata-Abhishek Banerjee Photo-SNS

এবার রেজিনগর এবং নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে। দলের নাম এবং প্রতীক বদল হয়েছে। মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নতুন নাম দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর প্রতীক ফুটবলার। তাই চ্যালেঞ্জ আছে বিস্তর। নন্দীগ্রাম আসন কংগ্রেসকে ছেড়ে দিয়েছে তৃণমূল। তবে লড়াই করছে রেজিনগরে নতুন নাম-প্রতীক নিয়েই। কিন্তু অনেকেই জানতে চান, রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রচারে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে জানা গিয়েছে, প্রচারের তালিকা ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। সেখানে একঝাঁক শীর্ষ নেতা-নেত্রীরা আছেন।

এদিকে রবিবার প্রচারক তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। আর তা নিয়েই রবিবাসরীয় ছুটির দিনে রাজ্য-রাজনীতিতে চর্চার ঝড় বইতে শুরু করেছে। কারণ রেজিনগরে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরীর প্রচারে থাকছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে থাকছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় থেকে কুণাল ঘোষ। এখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে আছেন। শীঘ্রই তিনি বংলায় ফিরছেন। আর ফিরেই উপনির্বাচনের প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়বেন তিনি বলে সূত্রের খবর।

অন্যদিকে এই উপনির্বাচনে প্রচারকের তালিকায় আছেন দোলা সেন থেকে সৌগত রায়। আইটি সেলের প্রধান উপাসনা চৌধুরী থেকে প্রিয়াঙ্কা অধিকারী-সহ অন্যান্যরা প্রচারে থাকছেন। আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে। ঠিক তার আগে রবিবার প্রচারক তালিকা প্রকাশ করল মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। ২০ জনের তালিকা প্রকাশ করে রীতিমতো আলোড়ন ফেলে দেওয়া হয়েছে। কারণ এই একটা আসনে এত শক্তি প্রয়োগ সকলকে ভাবিয়ে তুলেছে। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নামতে হচ্ছে বলেই অবাক হচ্ছেন সকলে। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা ফোনই রবিউলের সিদ্ধান্ত বদল করেছে। তাই তাঁর পাশে থাকতেই তিনি প্রচারে আসবেন। এমনটাই মনে কা হচ্ছে।

কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, দোলা সেন, সৌগত রায়-সহ তাবড় নেতা-নেত্রীরা প্রচারে নামছেন কেন? একটা আসনে যেন সর্বশক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সামিরুল ইসলাম, মহুয়া মৈত্র পর্যন্ত এই উপনির্বাচনের প্রচারে থাকছেন। সুতরাং বাকি দলগুলির কাছে এটা বড় চাপ হতে পারে বলেই মত অনেকের। প্রত্যেকেই সুবক্তা এবং দলের কঠিন সময়ে ছেড়ে পালিয়ে যায়নি। সেটাও উঠে আসবে প্রচারে বলে মনে করা হচ্ছে। আর যাঁরা ছেড়ে অন্য শিবিরে গিয়েছেন তাঁদেরও এই প্রচারের মঞ্চ থেকেই তুলোধনা করা হবে। মানুষের সামনে সবার মুখোশ খুলে দেওয়া হবে। এখন দেখার এখানে ভিড় কতটা হয়।