• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 7 October, 2026

রেশনে এবার দুর্গাপুজো প্যাকেজ দেওয়ার উদ্যোগ, বিজ্ঞপ্তি জারি করল খাদ্যদপ্তর

রেশনে দুর্গাপুজো প্যাকেজ মিলবে এই খবর চাউর হতেই খুশির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। খাদ্যদপ্তরও ইতিমধ্যেই এই প্যাকেজ দেওয়ার

রেশনে এবার দুর্গাপুজো প্যাকেজ দেওয়ার উদ্যোগ, বিজ্ঞপ্তি জারি করল খাদ্যদপ্তর

Durga Puja Package Ration Photo-SNS

রেশন দোকান থেকে এবার দুর্গাপুজো প্যাকেজ দেওয়া হবে। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য খাদ্যদপ্তর। হাতে আর বেশি সময় নেই। ১০ দিন পরই শুরু হয়ে যাবে দুর্গাপুজো। ইতিমধ্যেই এই উৎসবকে কেন্দ্র করে শপিং থেকে শুরু করে খাদ্য সামগ্রী কিনতে ফেলতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ। সেখানে বাড়তি রেশন মিললে অনেকটা সুবিধা হয় বলেই মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার। তার সুফল মিলতে শুরু করেছে। এবার রাজ্যের শ্রেষ্ঠ উৎসবকে সামনে রেখে রেশনে খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার ক্ষেত্রে নয়া পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। আর তাই রেশন থেকেই এবার মিলবে দুর্গাপুজো প্যাকেজ।

রেশনে দুর্গাপুজোর প্যাকেজের বিশেষ খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে ১৫ অক্টোবর থেকে ১৭ নভেম্বর তারিখের মধ্যে। খাদ্যদপ্তরের জারি করা বিজ্ঞপ্তি থেকে এমন তথ্যই মিলেছে। রেশন ডিলারদের সংগঠন এই বিষয়ে জানিয়েছে, তারা বিজয়া দশমী মিটে যাওয়ার পর দুর্গাপুজো প্যাকেজের খাদ্য দেবেন। অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলারস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানান, ১৫ অক্টোবর তারিখের আগেই অনেক গ্রাহক রেশনের সাধারণ বরাদ্দের মাসিক চাল-গম সংগ্রহ করে নেবেন। তাই দুর্গাপুজোর পর নভেম্বর মাসে একসঙ্গে নিলে সুবিধা মিলবে। কালীপুজো-দেওয়ালি-ছটে গ্রাহকরা সেসব খাদ্য সামগ্রী ব্যবহার করতে পারবেন।

রেশনে দুর্গাপুজো প্যাকেজ মিলবে এই খবর চাউর হতেই খুশির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। খাদ্যদপ্তরও ইতিমধ্যেই এই প্যাকেজ দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে। ১০ তারিখ মহালয়া। অর্থাৎ পিতৃপক্ষের শেষ এবং দেবীপক্ষের শুরু। তাই মহালয়ার আগে এবং পরে দুর্গাপুজোর প্যাকেজ হিসাবে খাদ্য সামগ্রী মিললে নাগরিকদের উপকার হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। আর রেশন গ্রাহকরা এই দুর্গাপুজোর প্যাকেজ পাওয়ার ক্ষেত্রে খোঁজখবর শুরু করেছেন রেশন দোকানে গিয়ে। তবে দুর্গাপুজোর প্যাকেজের বরাদ্দের খাদ্যসামগ্রী নিয়ে দপ্তরের কাছে কিছু প্রশ্ন রেখেছে রেশন ডিলারদের সংগঠন। অন্য রাজ্যের কোনও রেশন গ্রাহক এখান থেকে খাদ্যসামগ্রী তুললে তাঁকে দুর্গাপুজো প্যাকেজ দেওয়া যাবে কিনা সেটা জানতে চাওয়া হয়েছে।

তাছাড়া কোনও গ্রাহক দুর্গাপুজোর প্যাকেজ না নিলে সেটা বেঁচে যাবে। সেই সামগ্রীর কী হবে, সেটা এখনও বলা হয়নি। রেশন ডিলারের কাছে দুর্গাপুজো প্যাকেজ ঢুকলেই তাঁদের ডিস্ট্রিবিউটরকে নির্দিষ্ট টাকা দিয়ে দিতে হবে। কারণ ডিস্ট্রিবিউটরকে আগাম টাকা জমা দিতে হবে খাদ্যদপ্তরকে। রেশন ডিলাররা যাতে পোস্ট ডেটেড চেক দিয়ে দাম মেটাতে পারেন এখন সেই সুযোগ চাইছে রেশন ডিলার সংগঠন। চিনি ও ময়দার বিক্রয় মূল্যের কেজি প্রতি যথাক্রমে ৩০ এবং ১৯ টাকা রাখা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি খাদ্যদপ্তর জারি করেছে। তবে সুজি নিয়ে সেখানে কিছু বলা হয়নি। রেশন ডিলারদের সংগঠন কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা ‘নাফেড’-এর সঙ্গে চুক্তি করে উৎসবের মরশুমে কম দামে ডাল, ভোজ্য তেল-সহ অন্যান্য সামগ্রী বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে।