দ্বিতীয় দফার ভোটের আর মাত্র চার দিন বাকি। তার আগে বিস্ফোরণের জেরে কেঁপে উঠল নোয়াপাড়া এলাকা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। শনিবার বেলা নাগাদ নোয়াপাড়া থানা সংলগ্ন এলাকায় আচমকা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিস্ফোরণের উৎস ছিল থানার চত্বরের ভিতর থেকেই। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকায়, ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারিদিক।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে স্প্লিন্টার উড়ে গিয়ে পড়ে পাশের বাড়িগুলির ছাদ ও উঠোনে। ফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা। ভোটের আগে এমন ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এলাকায়। ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত থানায় খবর দেন। কিন্তু অভিযোগ, পুলিশের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও সক্রিয়তা দেখা যায়নি। এই নিষ্ক্রিয়তা নিয়েই ক্ষোভ বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে। তাঁদের প্রশ্ন, থানার এত কাছে এমন বিস্ফোরণ ঘটল কীভাবে, এবং আগে থেকে কেন কোনও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?
Advertisement
থানার ঠিক পিছনে বসবাসকারী এক জুটমিল কর্মী জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনি কাজে ছিলেন। তাঁর ছেলে ফোন করে বিস্ফোরণের খবর দিলে তিনি তড়িঘড়ি বাড়ি ফিরে আসেন। বাড়িতে ফিরে দেখেন চারদিকে আতঙ্কের পরিবেশ, আর তাঁর নিজের বাড়ির ছাদ ও উঠোনে স্প্লিন্টার ছড়িয়ে রয়েছে। সেগুলি সংগ্রহ করে তিনি থানায় গিয়ে পুলিশকে দেখান।
Advertisement
তাঁর অভিযোগ, পুলিশ আধিকারিকরা জানান যে বম্ব স্কোয়াড আসছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তবে এই আশ্বাসে তিনি সন্তুষ্ট নন। তাঁর কথায়, ‘বিস্ফোরণের পর তদন্ত তো হবেই, কিন্তু আগে থেকে কেন কোনও সতর্কতা ছিল না? থানার এত কাছে এমন ঘটনা ঘটল, এটা কীভাবে সম্ভব?’
এই বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা সামনে আসেনি। দ্বিতীয় দফার ভোটের মুখে এই ঘটনা ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে ঘটনার প্রকৃত কারণ সামনে আনা হোক এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
Advertisement



