• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 5 November, 2026

বসিরহাটে তৃণমূলে ভাঙন, এনসিপিআইয়ের দখলে দুই গ্রাম পঞ্চায়েত

সংসদে এখনও স্বীকৃতির অপেক্ষায় এনসিপিআই । দলবদল করে এই দলে যোগ দেওয়া নেতাদের নামের পাশে সংসদীয় নথিতে এখনও অল ইন্ডিয়া

বসিরহাটে তৃণমূলে ভাঙন, এনসিপিআইয়ের দখলে দুই গ্রাম পঞ্চায়েত

সংসদে এখনও স্বীকৃতির অপেক্ষায় এনসিপিআই । দলবদল করে এই দলে যোগ দেওয়া নেতাদের নামের পাশে সংসদীয় নথিতে এখনও অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচয়ই রয়েছে। তবে বাংলার রাজনৈতিক জমিতে নিজেদের সংগঠন বিস্তারে সক্রিয় এনসিপিআই। বিশেষ করে পঞ্চায়েত স্তরে তৃণমূল ছেড়ে এই দলে যোগদানের প্রবণতা বাড়ছে। এবার উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে তৃণমূলের হাতছাড়া হল দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত।

বাংলার নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর ২০ জন সাংসদ বিক্ষুব্ধ হিসেবে দল ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে তাঁরা এনসিপিআইয়ে যোগ দেন। সংসদে তাঁদের দলবদলের স্বীকৃতি এখনও মেলেনি। তবে এনডিএ-র বৈঠকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতাদের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে।

এবার বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের মুরারিশাহ ও বগজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে ভাঙন ধরল তৃণমূলে। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিআইয়ে যোগ দিয়েছেন মুরারিশাহ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩ জন এবং বগজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০ জন সদস্য। তাঁদের দলবদলের ফলে দুটি পঞ্চায়েতই এনসিপিআইয়ের দখলে গিয়েছে।

দলত্যাগী সদস্যদের দাবি, তৃণমূলের দুর্নীতি এবং পঞ্চায়েতের কাজকর্মে অসন্তুষ্ট হয়েই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলে থাকাকালীন এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ ঠিকমতো করা সম্ভব হচ্ছিল না। রাস্তাঘাট নির্মাণ, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং যুবকদের কর্মসংস্থানের মতো বিষয়গুলিতে কাজের সুযোগ তৈরি করতেই দলবদল করেছেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনমুখী কাজকর্ম ও নীতিতেও তাঁরা অনুপ্রাণিত বলে জানিয়েছেন।

এনসিপিআইয়ের মুখপাত্র অনুরাগ সিংহ বলেন, “অনেকেই পঞ্চায়েতের সদস্য হলেও কাজ করতে পারছিলেন না। সেই কারণেই তাঁরা এই দলের অংশ হয়েছেন।”

সংসদে দলীয় স্বীকৃতি নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটার আগেই রাজ্যের পঞ্চায়েত স্তরে সংগঠন বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে এনসিপিআই। বসিরহাটের এই দলবদল তৃণমূলের স্থানীয় সংগঠনের কাছে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।