• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 20 July, 2026

‘আমাকে চমকে ধমকে লাভ নেই’, অভিষেককে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন মদন

এখানেই থেকে থেমে থাকেননি কামারহাটির বিধায়ক। ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে একটা ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি

‘আমাকে চমকে ধমকে লাভ নেই’, অভিষেককে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন মদন

MLA Madan Mitra Photo-SNS

সদ্য শিবির বদলেছেন। আর শিবির বদলেই কালীঘাট তৃণমূলকে তুলোধনা করতে শুরু করেছেন তিনি। রাত পোহালেই একুশে জুলাই সমাবেশ। এবার এই সমাবেশ হবে তিনটি। ঋতব্রতদের বিদ্রোহী শিবির মেয়ো রোডে সমাবেশ করবে। কংগ্রেস করবে শহিদ মিনারের নীচে। আর কালীঘাট তৃণমূল করবে বিড়লা তারামণ্ডলের কাছে। ঠিক তার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিলেন তিনি। হ্যাঁ, তিনি কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। যিনি শিবির বদলে বলেছিলেন, এ ঘর থেকে ও ঘরে এসেছি।

এবার শহিদ দিবস পালন করবেন তিনি। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকছেন না তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বিড়লা তারামণ্ডলের মঞ্চে থাকবেন, মদন তখন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গে গান্ধী মূর্তির সামনে শহিদ দিবস পালন করবেন। এই আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে না থাকা নিয়ে মদন মিত্র বললেন, ‘সেদিন (১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই) আমরা গুলি খাওয়া থেকে বেঁচে গিয়েছি ঠিক এই গান্ধী মূর্তির পাশে। এটিই সঠিক জায়গা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে যেখানে একুশে জুলাই পালন করবেন, সেটা সঠিক নয়। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে শহিদ দিবস পালন করতে চলেছেন, সেটা বাচ্চাদের তারা দেখার জায়গা। একদম সঠিক জায়গা নয়।’

এখানেই থেকে থেমে থাকেননি কামারহাটির বিধায়ক। ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে একটা ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি। এমনকী সরাসরি নিশানা করেছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ওই ভিডিও’তে মদন ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ‘সবাইকে আমি চিনি তো, মদন মিত্র ছাড়া সবাই দালাল ছিল। পশ্চিমবঙ্গ কাঁপিয়ে যে লড়েছে, সে মদন মিত্র। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার সঙ্গে ভদ্র ব্যবহার করেছেন ঠিকই কিন্তু আমার হাত দিয়ে কখনও….।’ এই কথা বলে থেমে যান তিনি। কথা শেষ করেননি। কারা দালাল? সে কথা উল্লেখ করেননি তিনি।

দুদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে বলেছিলেন, ‘একটি ইডি চিঠি দিল আর তেমনি শিবির বদল করে নিলেন। তার মানে আপনি লড়াই করতে চাননি। ময়দান ছেড়ে চলে গিয়েছেন। আমাকে তো এত ইডি, সিবিআই ডাকছে। আমি তো ময়দান ছেড়ে পালাইনি।’ এটারই যেন জবাব দিন কালারফুল নেতা। মদন আর এখন কালীঘাট তৃণমূলের মিত্র নন। তাই মদনের ক্ষোভ এবং হুঁশিয়ারি, ‘২৭ মাস জেল খাটার পরেও তিন ডবল মার্জিন নিয়ে জিতে এসেছি। আমাকে তো আমার প্রাপ্যটা দেননি। বড় গায়ে লাগে। অভিষেককে বলি, আমাকে চমকে ধমকে লাভ নেই। তুই ডায়মন্ডহারবার গিয়ে যাকে চমকাতে পারিস, আমাকে চমকাস না। কদিন আগেও আমাকে প্রাণে মারার চেষ্টা হয়েছে। আমার উপর গুলি চালানো হয়েছে। তাই আমি কোনও পরোয়া করি না। জন্মিলে মরিতে হবে। আপনারা যা বলছেন বলুন। আপনাদের চমকানিতে সিপিএম চমকাবে, বিজেপি চমকাবে। মদন মিত্র চমকাবে না।’