• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 2 November, 2026

এসআইআর বাতিলের দাবিতে শহরের রাজপথে অবস্থান-সভার ডাক দিল বামফ্রন্ট

আগামী ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার এসআইআর বন্ধের দাবিতে সুর চড়াবেন বামফ্রন্টের নেতারা। ইতিমধ্যেই রানি রাসমনির সভায় লোক

এসআইআর বাতিলের দাবিতে শহরের রাজপথে অবস্থান-সভার ডাক দিল বামফ্রন্ট

Left Front Meeting Photo-SNS

এসআইআর বাতিলের দাবি দেশজুড়ে উঠেছে। ভোট চুরির অভিযোগে গোটা দেশে আন্দোলন চলছে। রবিবারই রামলীলা ময়দানে দেশের তামাম বিরোধী দলগুলির বিশাল সভা দেখেছে সকলে। একমঞ্চে চলে এসেছেন সবপক্ষ। সুপ্রিম কোর্টে একের পর এক মামলা হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে রাজপথে নেমে পড়েছেন ছাত্র-যুবরা। এই আবহে এসআইআর বাতিল-সহ একাধিক দাবিতে আগামী বৃহস্পতিবার কলকাতার রাজপথে নামছে সব বামপন্থী দলগুলি। আসলে এভাবে বাম দলগুলি রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হতে চাইছে বলে মনে করছেন অনেকে।

রবিবার নয়াদিল্লিতে সমস্ত বিরোধী দলের বিশাল সমাবেশ দেখেছে দেশ। এবার পশ্চিমবঙ্গে বামদলগুলি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে টানা ৩ ঘণ্টা ব্যাপী অবস্থান এবং সভার ডাক দিয়েছে। দিল্লির মতো কি কলকাতাতেও এই ইস্যুতে বাম এবং মমতা তৃণমূলকে এক আসনে দেখা যাবে? উঠছে প্রশ্ন। বাম নেতৃত্ব যদিও সেই বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চায়নি। কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে। রাজ্যে বই নিয়ে আন্দোলনের ঝাঁঝ আগেই বাড়িয়েছে বাম দলগুলি। তার মধ্যেই এবার এসআইআর নিয়ে পথে নামতে চাইছে তারা। সামনেই কলকাতা এবং হাওড়া পুরসভার নির্বাচন রয়েছে। তার আগে নিজেদের প্রাসঙ্গিক করে তুলতেই এমন উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।

আগামী ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার এসআইআর বন্ধের দাবিতে সুর চড়াবেন বামফ্রন্টের নেতারা। ইতিমধ্যেই রানি রাসমনির সভায় লোক ভরাতে জেলায় জেলায় খবর দেওয়া হয়েছে। বুক স্টল ভাঙার প্রতিবাদে গত শনিবার একহাজার মানুষকে পথে নামতে দেখা গিয়েছে। রবিবার শহরের নানা প্রান্তে সিপিএম ভ্রাম্যমাণ বই বিপণির আয়োজন করেছিল। এসআইআর ইস্যুতেও বামফ্রন্ট-সহ সিপিআই (এমএল), এসইউসিআইয়ের মতো বাম দল একত্রে পথে নামার ডাক দিয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর বেলা আড়াইটে থেকে ৩ ঘণ্টার কেন্দ্রীয় অবস্থান এবং সভার ডাক দেওয়া হয়েছে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘সব বামদল মিলে আমরা এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছি। সেখানে গণতন্ত্র প্রিয় ব্যক্তি, সংগঠনকে আহ্বান জানানো হবে। আমরা বামদলগুলি মিলে এই কর্মসূচি নিয়েছি।’

তাছাড়া এই সভা-সমাবেশ কতটা সফল হবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে অনেকের। কারণ বামেদের সংগঠন এখন ক্ষয়িষ্ণু। বিধায়ক বলতে একটি। সাংসদও একটি। সেই শক্তি নিয়ে এই সভা-সমাবেশ সফল করা কঠিন। দিল্লির রামলীলা ময়দানে এই একই ইস্যুতে মঞ্চে একসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি, সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকে দেখা গিয়েছে। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘দেশে বিজেপির বিরুদ্ধে সকলকে লড়তে হবে। পশ্চিমবঙ্গে সেই গল্প নেই।’