• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 18 July, 2026

নন্দনে দেখানো হবে ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনাল, থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

শুধু কলকাতাই নয়, জেলার ফুটবলপ্রেমীদের জন্যও একযোগে খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জায়ান্ট স্ক্রিন বসিয়ে ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি দেখানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে

নন্দনে দেখানো হবে ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনাল, থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

Image: SNS

ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালের উত্তেজনা এবার শুধু টেলিভিশনের পর্দা বা ড্রয়িংরুমে সীমাবদ্ধ থাকছে না। প্রথমবারের মতো নন্দনের বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফাইনাল সরাসরি দেখা সুযোগ করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, রবিবার এই বিশেষ আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়া থাকতে পারেন  বেশ কয়েকজন মন্ত্রী এবং প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা।

শুধু কলকাতাই নয়, জেলার ফুটবলপ্রেমীদের জন্যও একযোগে খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জায়ান্ট স্ক্রিন বসিয়ে ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি দেখানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, কয়েক দিন ধরেই এই আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গোটা পরিকল্পনা রূপরেখা প্রায় চূড়ান্ত। প্রযুক্তিগত দিকগুলি খতিয়ে দেখছেন সরকারি ইঞ্জিনিয়াররা। পাশাপাশি অন্যান্য প্রশাসনিক ও পরিকাঠামোগত প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। শুক্রবার আধিকারিকরা বৈঠক করে প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেছেন।

প্রশাসনের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের উদ্যোগ আগে কখনও নেওয়া হয়নি। যদিও বহু বছর আগে নন্দন-রীবন্দ্রসদন চত্বরে চলচ্চিত্র উৎসব উপলক্ষে রাতভর সিনেমা দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখানোর এ রকম কোনও সরকারি উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। সেদিক থেকে দেখলে এই বারই প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচির মূল দায়িত্বে রয়েছে রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তর। অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই প্রতিটি জেলার জেলাশাসকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করার নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তরের সচিব রাজেশ পাণ্ডের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই আয়োজনের জন্য প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে এক লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হবে।

গোটা ব্যবস্থা দেখে দর্শকদের মনে হবে, তাঁরা যেন নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই বসে খেলা দেখছেন। নন্দন, রবীন্দ্রসদন ও অ্যাকাডেমি চত্বরে উৎসবের আবহ তৈরি করতে দুই ফাইনালিস্ট দলের জাতীয় পতাকা, জার্সিস মুখে রঙ করার ব্যবস্থা-সহ বিভিন্ন আয়োজন থাকবে। রাতভর খেলা দেখা, একসঙ্গে উল্লাস, গোলের মুহূর্তে চিৎকার—সব মিলিয়ে ফুটবল উৎসবের পরিবেশ গড়ে তোলাই লক্ষ্য প্রশাসনের।

রাতের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। আইশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। ফাইনাল শেষে যে দলই বিশ্বকাপ জিতুক না কেন, উদযাপনের প্রস্তুতিতেও কোনও খামতি রাখতে চাইছে না প্রশাসন।  সূত্রের খবর, ফাইনালের রাতে নন্দনে কয়েকজন প্রাক্তন ও বর্তমান ফুটবলার উপস্থিত থাকতে পারেন। পাশাপাশি জানানো হবে একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও সেলিব্রিটিকেও। তাঁদের কেউ কেউ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন।