• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 7 October, 2026

‘জ্ঞানেশ হঠাও’ অভিযানে কংগ্রেসের লোকভবন ঘেরাও, কলকাতার কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার

এদিন ভরদুপুরে লোকভবনের সামনে কংগ্রেসের মিছিল গিয়ে পৌঁছয়। ওই কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

‘জ্ঞানেশ হঠাও’ অভিযানে কংগ্রেসের লোকভবন ঘেরাও, কলকাতার কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার

Congress Agitation Photo-SNS

গোটা দেশে এখন আন্দোলন শুরু হয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে। ভোট চুরির অভিযোগ তুলে দলমত নির্বিশেষে আন্দোলন শুরু হয়েছে দেশে। যার একটাই দাবি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মহারাষ্ট্র থেকে নয়াদিল্লি, অসম থেকে কেরল-সর্বত্র জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়েছে রাজপথে। এবার কলকাতার বুকে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল। বুধবার কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ হঠাও’ অভিযানে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে লোকভবন ঘেরাও করার কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল। লোকভবনের গেটেই কংগ্রেস কর্মীদের আটকে দেয় পুলিশ। গার্ডরেল সরিয়ে এগোনোর চেষ্টা করতেই কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় পুলিশের। ব্যারিকেড তুলে চলে রীতিমতো ধস্তাধস্তি। তখনই ঘটনাস্থল থেকে কংগ্রেস কর্মীদের পরপর আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। দলীয় পতাকা হাতে স্লোগান দিতে থাকে কংগ্রেস কর্মীরা।

এসআইআর প্রক্রিয়ায় বেআইনি কাজ করার অভিযোগে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে নয়াদিল্লিতে পথে নেমেছে কংগ্রেস। মঙ্গলবার তা দেখেছে গোটা দেশ। সেখানে সামিল হয়েছিল দেশের তামাম বিরোধী দলের সাংসদরা। সেখানে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। আবার যন্তরমন্তরে ধর্না কর্মসূচি করার পরিকল্পনা নিয়েছে কংগ্রেস। সেখানেও বিরোধীরা থাকবে। মহালয়ার দিন ককরোচ জনতা পার্টিও নয়াদিল্লিতে আন্দোলনে নামবে বলেই খবর। এই আবহে এবার কলকাতাতেও আছড়ে পড়ল আন্দোলন। এই নিয়ে কংগ্রেস নেতা আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়ের হুঁশিয়ারি, ‘কেউ ছাড় পাবে না। সবাইকে ধ্বংস করে দেব। আমরা জ্ঞানেশ কুমারের গ্রেপ্তারি চাই। অনুমতি থাকা সত্ত্বেও পুলিশ আমাদের কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে।’

এদিন ভরদুপুরে লোকভবনের সামনে কংগ্রেসের মিছিল গিয়ে পৌঁছয়। ওই কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের গ্রেপ্তারের দাবিতে সুর চড়ান কংগ্রেস কর্মীরা। পুলিশের প্রতিরোধের মুখে রাস্তায় শুয়ে পড়ে প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা দেয়। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন কংগ্রেস কর্মীরা। এই বিক্ষোভে লোকভবনে যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে তার জন্য তাঁদের পরপর আটক করে প্রিজন ভ্যানে তুলে এলাকা খালি করে দেয় পুলিশ।

তাছাড়া একদিন আগেই ইন্ডিয়া জোটের মিছিল দেখেছে নয়াদিল্লি। তারপর থেকে সারা দেশে কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা অক্সিজেন পেয়ে গিয়েছেন। তাই এদিন কলকাতার রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়েন কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা। লোকভবনের সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তার জেরে যান চলাচল করতে সমস্যা দেখা দেয়। তবে পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে তাদের প্রিজন ভ্যানে তুলে রাস্তা পরিষ্কার করে দেয়।