• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 9 October, 2026

‘রাহুল গান্ধীকে নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরলেও কিছু হবে না’, কংগ্রেসকে মরা দল বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম দুই আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম

‘রাহুল গান্ধীকে নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরলেও কিছু হবে না’, কংগ্রেসকে মরা দল বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর

CM Suvendu Adhikari Photo-SNS

নন্দীগ্রামে বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপির জয়ের ধারা অক্ষুণ্ণ রাখলেন পদ্মপ্রার্থী হাসিরানি রথ। উপনির্বাচনে বিরোধীদের উড়িয়ে দিয়ে ১ লক্ষ ২২ হাজার ১৩৬ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হলেন চন্দ্রনাথ রথের মা। তবে এই ফলাফলের সবচেয়ে চমকের বিষয় হল, ঋতব্রত শিবিরের গণতান্ত্রিক তৃণমূলকে পিছনে ফেলে নন্দীগ্রামে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে কংগ্রেস। প্রায় ৫০ হাজার ভোট পেয়ে ‘হাত’ শিবিরের এই উত্থান মমতা তৃণমূলের স্থানান্তরিত ভোট বলে ব্যাখ্যা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

হেভিওয়েট নন্দীগ্রামে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে কংগ্রেস। উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেপ্তারই কি বাড়তি অক্সিজেন জোগাল? উঠছে প্রশ্ন। কিন্তু মনে রাখা দরকার মিলন প্রধানকে সমর্থন দিয়েছিল খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুতরাং তাঁর দলের একটা বড় অংশের ভোট পেয়েছেন মিল প্রধান। শুক্রবার গণনার ১৫ রাউন্ড শেষে নন্দীগ্রামে ১ লক্ষ ২২ হাজার ১৩৬ ভোটে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। প্রায় ৫০ হাজারের কাছাকাছি ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে দাঁড়ায় কংগ্রেস। বাকি বিরোধী দলগুলি ধারে কাছেও আসতে পারেনি। এই ফলাফল দেখার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কটাক্ষ, ‘কংগ্রেস মরা দল। রাহুল গান্ধীকে নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরলেও ওদের কিছু হবে না।’

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম দুই আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম অনুযায়ী ভবানীপুর কেন্দ্র নিজের কাছে রেখে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। তাই এই উপনির্বাচন। প্রতীক ও প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের দুই শিবিরের অন্তর্দ্বন্দ্বে প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। তখন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেই পুরনো মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় মিলনকে। টানা ১২ দিন জেল খাটার পর অন্তর্বর্তী জামিনে মুক্তি পান তিনি। আর ভোটবাক্স খুলতেই দেখা যায়, প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে কংগ্রেস।

তাছাড়া এই ফলাফলকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন উঠতে থাকে। শুধু তাই নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে এখন রাজ্য-রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক সেই চর্চা শুরু হয়ে যায়। তবে এসবে গুরুত্ব না দিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর খোঁচা, ‘না না, ও সব কিছু নয়। কংগ্রেস একটা মরা দল। রাহুল গান্ধীকে নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরলেও ওদের কিছু হবে না। নন্দীগ্রামে তৃণমূলের নিজস্ব সংগঠন ও সমর্থক রয়েছে। গত নির্বাচনে আমি নিজে ১ লাখ ৭ হাজার ভোট পেয়েছিলাম, তখনও কিন্তু তৃণমূল একটি বড় অঙ্কের ভোট পেয়েছিল। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সেই তৃণমূলের ভোটটাই কংগ্রেসে পড়েছে। খুনের মতো গুরুতর অপরাধের মামলা তো আর এমনি এমনি প্রত্যাহার করা যায় না! সে সময় বামপন্থীরাও এই ইস্যুতে আদালতে গিয়ে সওয়াল করেছিলেন।’