সংস্কৃতকে দেশের সরকারি ভাষার মর্যাদা দেওয়ার আবেদন বাস্তব সম্মত নয় বলে মন্তব্য করে শশী থারুর বলেন, সংস্কৃত সুন্দর একটি ভাষা। কিন্তু হঠাৎ করে সংস্কৃতকে সরকারি ভাষা ও জাতীয় ভাষার মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত আগে নেওয়া উচিত ছিল। ন্যাশনাল কমিশন ফর সিডিউল ট্রাইবের চেয়ারম্যান নন্দ কুমার সাই বলেন, ‘দেশের প্রাচীনতম ভাষা সংস্কৃত। দেশের বহু ভাষার ওপর সংস্কৃত ভাষার প্রভাব রয়েছে। ভাষা নিয়ে তৈরি বিতর্কের অবসান ঘটাতে পারে সংস্কৃত ভাষা। ফলে সংস্কৃতকে সরকারি ভাষা হিসেবে মর্যাদা দেওয়া যেতে পারে। তাই মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের সঙ্গে সংস্কৃতকে দেশের সরকারি ভাষা হিসেবে মর্যাদা দেওয়া নিয়ে কথা বলব’।
কংগ্রেস সভাপতি শশী তারুর বলেন, ‘সংস্কৃত খুব সুন্দর ভাষা। কিন্তু নিত্য জীবনে ব্যবহারের ক্ষেত্রে মােটেই সহজ নয়। পুরাে ভারতে বর্তমানে সংস্কৃত ভাষায় প্রায় কেউ কথা বলেন না। আমি গর্বিত, দেশের মানুষ পুরাতন ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। আমরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি করার জন্য লড়াই চালাচ্ছি। যাতে দেশের মানুষ বুঝতে, পড়তে ও লিখতে পারে। কিন্তু দুম করে এই ভাষাকে দেশের প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থায় ঢােকানাের আবেদন বাস্তবসম্মত নয়’।
Advertisement
Advertisement
Advertisement



