• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 3 November, 2026

দিনের পর দিন রাস্তা বা জায়গা দখল করে বিক্ষোভ নয়, প্রতিবাদেরও সময়সীমা থাকা উচিত, কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

দীর্ঘদিন ধরে কোনও নির্দিষ্ট জায়গা দখল করে প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ চালানো যাবে না। প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলির ক্ষেত্রেও সময়সীমা

দিনের পর দিন রাস্তা বা জায়গা দখল করে বিক্ষোভ নয়, প্রতিবাদেরও সময়সীমা থাকা উচিত, কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

The Supreme Court of India (PIC: ANI)

দীর্ঘদিন ধরে কোনও নির্দিষ্ট জায়গা দখল করে প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ চালানো যাবে না। প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলির ক্ষেত্রেও সময়সীমা থাকা প্রয়োজন। এমনই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ জানাল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের বক্তব্য, প্রতিবাদ করার অধিকার সবার রয়েছে। তাই কোনও একটি গোষ্ঠী দিনের পর দিন নির্দিষ্ট জায়গা দখল করে রাখতে পারে না।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ এবং পরবর্তী সময়ে ওই এলাকাকে প্রতিবাদস্থল হিসেবে নির্ধারিত তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলার শুনানিতে এই মন্তব্য করে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, প্রতিবাদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা থাকলেও সেখানে অনির্দিষ্টকাল ধরে অবস্থান করা যায় না।

শুনানিতে কেন্দ্রের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, যাঁরা আন্দোলনের ডাক দেবেন, আন্দোলনের পরিণতির দায়ও তাঁদের নিতে হবে। এর পরেই প্রধান বিচারপতি বলেন, দিনের পর দিন কোনও জায়গা দখল করে বসে থাকা যায় না। তাঁর প্রশ্ন, কৃষক বা আইনজীবীরা প্রতিবাদ করতে চাইলে কোথায় যাবেন? প্রতিবাদ করার অধিকার সকলেরই রয়েছে।

আদালতে জানানো হয়েছে, যন্তর মন্তরকে প্রতিবাদস্থলের তকমা থেকে বাদ দেওয়ার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বিকল্প হিসেবে তিনটি নির্দিষ্ট জায়গা বা অঞ্চল চিহ্নিত করেছিল।

কেন্দ্রের বক্তব্য, গত ২০ জুলাইয়ের বিক্ষোভের জন্য মাত্র একদিনের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা নির্ধারিত সীমানা ছাড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করেন। এমনকি একসময় সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যান। তুষার মেহতার বক্তব্য, সংসদ ভবন কোনও রাজনৈতিক দলের কার্যালয় নয়। তাই ইচ্ছেমতো সংসদ ভবন বা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করে যাওয়া যায় না। এই মামলার শুনানিতে প্রতিবাদের অধিকার এবং জনসাধারণের ব্যবহারের জায়গার ভারসাম্য নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে।