রাজনীতি, সংসদ ও সামাজিক পরিসরে স্পষ্টভাষী অবস্থানের জন্য পরিচিত সমাজবাদী পার্টির সাংসদ তথা বিশিষ্ট অভিনেত্রী জয়া বচ্চনকে নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন কংগ্রেস নেতা রাজীব শুক্ল। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘জয়া কোনও ভণিতা বা অপ্রয়োজনীয় কথা সহ্য করেন না। তিনি যা মনে করেন, মুখের উপর সোজাসাপটা ভাষায় বলে দেন।’
রাজীব শুক্লের এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংসদের অধিবেশন হোক কিংবা জনসমক্ষে বক্তব্য— জয়া বচ্চনের স্পষ্টভাষী মনোভাব বহুবারই সংবাদ শিরোনামে এসেছে। তিনি কখনও দ্বিধা না করে নিজের অবস্থান প্রকাশ করেন, তা সে রাজনৈতিক বিতর্ক হোক বা সামাজিক প্রসঙ্গ।
Advertisement
রাজীব শুক্ল বলেন, ‘অনেকে কূটনৈতিক ভাষায় কথা বলেন, কিন্তু জয়ার স্বভাব একেবারেই আলাদা। তিনি বিশ্বাস করেন সত্য কথা সরাসরি বলায়। এতে অনেক সময় বিতর্ক তৈরি হয়, কিন্তু তাঁর এই স্বচ্ছতা ও সাহসিকতাই তাঁকে আলাদা করে চিহ্নিত করে।’
Advertisement
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জয়া বচ্চনের এই স্পষ্টভাষী মনোভাব সংসদীয় রাজনীতিতে বিরল। অনেক নেতা যেখানে বক্তব্যের আগে রাজনৈতিক হিসেব কষেন, সেখানে জয়া বচ্চন ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও নীতিগত অবস্থানকে প্রাধান্য দেন। এই কারণেই তিনি সমর্থকদের কাছে সাহসী ও নির্ভীক নেত্রী হিসেবে পরিচিত, আবার সমালোচকদের কাছেও তিনি এক স্পষ্টভাষী চরিত্র।
সমাজবাদী পার্টির অন্দরমহলেও জয়া বচ্চনের এই স্বভাব সুপরিচিত। দলের নেতাদের মতে, তিনি কখনও লোক দেখানো রাজনীতি করেন না। যা মনে করেন, তা সরাসরি বলতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। এতে যেমন দলের ভেতরে সম্মান বাড়ে, তেমনই বহু সময় বিতর্কও তৈরি হয়।
রাজীব শুক্লের মন্তব্যে সেই বাস্তব চিত্রই আবার সামনে এল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। স্পষ্টভাষী, নির্ভীক ও আপসহীন চরিত্রের প্রতীক হিসেবেই জয়া বচ্চনের রাজনৈতিক পরিচয় দিনে দিনে আরও দৃঢ় হচ্ছে— এমনটাই মত পর্যবেক্ষকদের একাংশের।
Advertisement



