• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 12 October, 2026

মোদী সরকারের ২০০ আধিকারিক বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, বিস্ফোরক দাবি রাহুলের

রাহুলের অভিযোগ, একদিকে দেশের মানুষ রয়েছেন। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং নির্বাচন কমিশনের কয়েকজন সদস্য রয়েছেন।

মোদী সরকারের ২০০ আধিকারিক বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, বিস্ফোরক দাবি রাহুলের

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

কেন্দ্রীয় সরকারের ২০০ জন আধিকারিক লোকসভার বিরোধী দলনেতার গুপ্তচর। সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই দাবি করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারকে নিশানা করে তিনি বড় দাবি করলেন। ওই ২০০ জনের মধ্যে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি), সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) এবং বিদেশ মন্ত্রকের আধিকারিকেরাও রয়েছেন বলে দাবি করেছেন রাহুল।

কংগ্রেস নেতা বলেন, আপনারা শুনলে অবাক হবেন। মোদীজি, আমি আপনাকে বলছি, আপনার ২০০ জন আধিকারিক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তাঁর দাবি, ওই আধিকারিকেরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিরোধীদের জানাচ্ছেন। সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে কংগ্রেসের পদযাত্রার আগে এমনটাই মন্তব্য করেছেন রাহুল।

লোকসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, আপনারা যা খুশি করতে পারেন। সত্য আমাদের সঙ্গে রয়েছে। দেশের সংবিধান রক্ষা ও নির্বাচন ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে চলা আন্দোলন নিয়েও মুখ খোলেন কংগ্রেস নেতা। তাঁর বক্তব্য, যত দিন না সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা করা হচ্ছে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) ভূমিকা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের সমাধান হচ্ছে, ততদিন আন্দোলন চলবে।

রাহুলের কথায়, ‘যত দিন না নির্বাচন ব্যবস্থা ঠিক হচ্ছে, ততদিন দেশের যুবসমাজ থামবে না। আমরাও পিছিয়ে যাব না।’ তাঁর আরও দাবি, ছাত্রছাত্রী ও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন সংগঠন যে প্রতিবাদ করছে, সেগুলি আসলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একই বৃহত্তর আন্দোলনের অংশ।

কংগ্রেস নেতার আরও দাবি, প্রায় ৫০ শতাংশ পুলিশকর্মী তাঁদের জানিয়েছেন, বিরোধীদের আন্দোলন সঠিক এবং তা চালিয়ে যাওয়া উচিত। পুলিশ, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি) এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর (সিআরপিএফ) সদস্যদের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন তিনি। রাহুলের অভিযোগ, একদিকে দেশের মানুষ রয়েছেন। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং নির্বাচন কমিশনের কয়েকজন সদস্য রয়েছেন।

আরও পড়ুন: আফ্রিকায় ভয়াবহ নৌকাডুবি, ১৫ শিশু-সহ মৃত অন্তত ১৩৯, নিখোঁজ ৮৪

লোকসভার বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, তাঁরা ভোট চুরি করে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের ২০০ আধিকারিকের যোগাযোগ রাখা এবং পুলিশকর্মীদের সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে রাহুল গান্ধীর এই দাবিগুলি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।