• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 7 November, 2026

শাহকে ফোনে পুলিশ ডাকতে দেখেছি: এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইস্তফা চেয়ে ‘বিস্ফোরক’ রাহুল

শাহকে পুলিশ ডাকতে দেখেছি, বিস্ফোরক দাবি রাহুল গান্ধীর। ছাত্র আন্দোলনে দমননীতির জেরে অমিত শাহের ইস্তফা ও সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি। পড়ুন।

শাহকে ফোনে পুলিশ ডাকতে দেখেছি: এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইস্তফা চেয়ে ‘বিস্ফোরক’ রাহুল

Rahul Gandhi In Parliament (Sansad TV)

সংসদে তুমুল উত্তেজনা। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী সরাসরি নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah)। দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলনে পুলিশি দমনের জন্য তাঁকেই দায়ী করলেন তিনি। দাবি তুললেন, শাহকে অবিলম্বে মন্ত্রিসভা থেকে সরাতে হবে। সঙ্গে চাইলেন সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে একটি স্বতন্ত্র তদন্ত।

কী দাবি করলেন রাহুল

বুধবার সংসদে উত্তাল দিনের পরে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, লোকসভায় তাঁকে বলার সুযোগই দেওয়া হয়নি। শাসক পক্ষের সাংসদরা কথা বলার সুযোগ পেলেও, তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলা হয় শাহের বিরুদ্ধে মন্তব্যের জন্য। রাহুলের দাবি, সংসদ ভবনের ভিতরেই তিনি নিজের চোখে দেখেছেন, শাহ ফোনে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলছেন। তিনি এও দাবি করেন, প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহের কাছেও শাহের একাধিক ফোন গিয়েছিল।

ঠিক কী অভিযোগ

রাহুলের যুক্তি সহজ। দুটো সম্ভাবনা আছে বলে তিনি জানান। এক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই পড়ুয়াদের উপরে পেলেট গান, পেরেক লাগানো লাঠি আর ইলেকট্রিক ব্যাটন ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তা হলে সরাসরি দায় তাঁর। দুই, তিনি কিছুই জানতেন না। তা হলে তা চূড়ান্ত অযোগ্যতার প্রমাণ। দুটো ক্ষেত্রেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে থাকার নৈতিক অধিকার থাকে না বলে দাবি রাহুলের। কংগ্রেস জানিয়েছে, পেলেট গানের হামলায় জখম প্রতিটি পড়ুয়ার জন্য দায় নিতে হবে। তাঁর দাবি, কংগ্রেস পড়ুয়াদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিরোধীদের মূল দাবি

রাহুল গান্ধী ফের জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন বিরোধীদের মূল দাবিগুলি ঠিক কী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে তাঁর আর্জি, অবিলম্বে অমিত শাহকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হোক। সঙ্গে চাই সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ ও স্বতন্ত্র তদন্ত। নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস নিয়ে শুরু হওয়া পড়ুয়াদের আন্দোলন পুলিশি দমনের জেরে এখন বড় রাজনৈতিক সংঘাতে পরিণত হয়েছে। এই আন্দোলনের জেরেই ইতিমধ্যে ইস্তফা দিতে হয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে।

পশ্চিমবঙ্গে এই খবরের গুরুত্ব

এই আন্দোলনের শুরু থেকেই পাশে দাঁড়িয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসও (Trinamool Congress), বাম ও কংগ্রেস। রাহুলের এই বিস্ফোরক দাবি নতুন করে জাতীয় রাজনীতিতে জল ঘোলা করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। সদ্য ক্ষমতায় আসা সরকারের কাছে স্বভাবতই এই ইস্যু মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে।