যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে এসিপি বিবেক ভগতের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। এমনকি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআরও হয়নি। এর মধ্যেই দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) সহকারী কমিশনার (এসিপি) বিবেক ভগতকে অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারের পদে পদোন্নতি করা হয়েছে। সোমবার দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এই পদোন্নতির কথা জানানো হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।
দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) অবশ্য দাবি, এটি নিয়মমাফিক পদোন্নতি। পুলিশের বক্তব্য, যৌন হেনস্থার অভিযোগ সামনে আসার আগেই বিবেকের পদোন্নতির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। তাঁর সঙ্গে আরও ১১ জন পুলিশ আধিকারিকও (Delhi Police) পদোন্নতি পেয়েছেন।
আরও পড়ুন: নন্দীগ্রাম-নগাঁও-সহ ৬ আসনে ভোট শুরু, ফল ৯ অক্টোবর
শনিবার এসআইআরে (SIR) অনিয়মের অভিযোগে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারর জ্ঞানেশ কুমারের (CEC Gyanesh Kumar) পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলছিল। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ওই বিক্ষোভ শনিবার, রবিবার এবং সোমবারও চলে। পুলিশি বাধা ও ধরপাকড়ের চলতে থাকে।
শনিবার বিক্ষোভের খবর করতে যাওয়া তিন মহিলা সাংবাদিক দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) কয়েক জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তোলেন। তাঁদের অভিযোগের তালিকায় ছিলেন এসিপি বিবেক ভগত। পরে বিবেক-সহ অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্ত নিরপেক্ষ রাখতে অভিযোগটি দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) ক্রাইম ব্রাঞ্চে পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়। তবে এখনও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের করা হয়নি।
আরও পড়ুন: পুলিশকে কটূক্তির পরই আটক হুমায়ুন! দলীয় কার্যালয় থেকে ধরে নিয়ে গেল পুলিশ
এদিকে অভিযুক্ত এসিপির বিরুদ্ধে এফআইআরের (FIR) দাবিতে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয়। রবিবার রাত পর্যন্ত চলে বিক্ষোভ। সোমবার সকালে ধরপাকড় করে পুলিশ। থানার সামনে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারী ও কয়েক জন সাংবাদিককে আটক করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগকারিণী সাংবাদিকও পুলিশের পদক্ষেপ থেকে রেহাই পাননি।
রবিবার এফআইআর (FIR) দায়েরের দাবিতে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখায় সিজেপিও (CJP)। সৌরভ দাস বলেন, অভিযোগকারিণী ও তাঁর আইনজীবীরা উপস্থিত থাকলেও পুলিশ (Delhi Police) তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হয়নি। পরে সিজেপির (CJP) সৌরভ দাস এবং সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাট থানায় গিয়ে এফআইআর (FIR) দায়েরের দাবি জানান। কিন্তু তার পরেও কোনও মামলা দায়ের হয়নি বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তি আধিকারিকের পদোন্নতি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
দেখুন:




