• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 16 June, 2026

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে স্পিকারকে চিঠি কাকলির, আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ

সংসদে এই দলের পক্ষ থেকে মুখ্যসচেতক হয়ে দেখা যেতে পারে তাঁকে। সেক্ষেত্রে এখন তিনি জাতীয় রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিবিদ

রাজ্যে পালাবদলের পরই ভিন্ন পথে পা বাড়িয়েছেন সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার। আর তারপর থেকে তাঁকে আপত্তিকর ভাষায় আক্রমণ করে গিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও কল্যাণের পাল্টা দাবি তাঁকেও কাকলি নাম না করে আক্রমণ করেছেন। এই আবহে এবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে কল্যাণের বিরুদ্ধে নালিশ ঠুকলেন কাকলি ঘোষদস্তিদার। এখন তিনি এনসিপিআইয়ের নেত্রী। লোকসভায় এনডিএ-কে সমর্থনকারী বড় দল। এই চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই চাপে পড়ে গেলেন কল্যাণ বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে কাকলি ঘোষদস্তিদার একজন মহিলা সাংসদ। তার উপর তৃণমূল থেকে বেরিয়ে এখন ২০ জন সাংসদ নিয়ে এনসিপিআই দলে যোগ দিয়েছেন তিনি। সংসদে এই দলের পক্ষ থেকে মুখ্যসচেতক হয়ে দেখা যেতে পারে তাঁকে। সেক্ষেত্রে এখন তিনি জাতীয় রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিবিদ। সেখানে তাঁকে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ। আর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বারবার আপত্তিকর ভাষায় আক্রমণ করেন এই অভিযোগ তুলে কল্যাণকে বহিষ্কার করার দাবি জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিলেন সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার।

অন্যদিকে রাজ্যে পালাবদলের পর বিধানসভায়, লোকসভায় এবং রাজ্যসভায় তৃণমূল ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছে। রাজ্যসভায় এখনও পর্যন্ত তিনজন সাংসদ পদত্যাগ করেছেন। লোকসভায় ২০ জন সাংসদ যোগ দিয়েছেন এনসিপিআই-তে। বিধানসভায় প্রায় ৬০ জন বিধায়ক নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েছেন। সুতরাং সবদিক থেকে তৃণমূল কোণঠাসা হয়ে গিয়েছে। এই আবহে কাকলি ঘোষদস্তিদারের অভিযোগ, ‘তিনি বারবার আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন। নারীবিদ্বেষী কথা বলেছেন। তাঁর ব্যবহার সংসদীয় আচরণের পরিপন্থী।‘

তাছাড়া এটি কাকলি ঘোষদস্তিদারের দ্বিতীয় চিঠি। এর আগেও একবার একই অভিযোগে চিঠি দিয়েছিলেন তিনি। তবে এবার যেহেতু এনডিএ-র শরিক হতে চলেছেন তাঁরা তাই দ্বিতীয় চিঠি অনেক বেশি কার্যকর বলে মনে করা হচ্ছে। কাকলি ঘোষদস্তিদার চিঠিতে লিখেছেন, ‘একাধিকবার ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে। হেনস্তা করা হয়েছে। এমন কিছু কথাবার্তা সংসদে আলোচনা করা হয়, যেখানে বসে মহিলারা অংশগ্রহণ করতে অস্বস্তিবোধ করেন। সাংসদের আচরণ লোকসভার ৩৪৯ ধারার পরিপন্থী।’ পাল্টা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফাই, ‘২০১১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আমি সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক পদে ছিলাম। কয়েকমাস মাঝে ছিলাম না। কীভাবে উনি কথা বলেছেন?’