• facebook
  • twitter
Monday, 2 March, 2026

ভারত ও কানাডার মধ্যে মউ স্বাক্ষর

এই চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে মোদী জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে এটি বড় পদক্ষেপ

কূটনৈতিক টানাপোড়েনের পর ফের বন্ধুত্বের পথে কানাডা-ভারতের সম্পর্ক।  সোমবার দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনি। এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (মউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা হল—ভারতের সিভিল নিউক্লিয়ার কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম রপ্তানি করবে কানাডা। এই চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে মোদী জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে এটি বড় পদক্ষেপ। পাশাপাশি বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধিতেও দুই দেশ নতুন কাঠামো গড়ে তুলতে সম্মত হয়েছে। লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছনোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

শিক্ষা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও সহযোগিতার বিস্তার ঘটছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও উদ্ভাবন নিয়ে কানাডার একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে। ভারতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির ক্যাম্পাস কানাডায় খোলার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা খাতেও যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন দুই নেতা।

Advertisement

এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, হাইড্রোকার্বন, গ্রিন হাইড্রোজেন ও এনার্জি স্টোরেজের মতো কৌশলগত ক্ষেত্রেও সহযোগিতার রূপরেখা তৈরি হয়েছে। এআই, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, সুপারকম্পিউটার ও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তিতে যৌথ গবেষণা ও বিনিয়োগের পথও প্রশস্ত হয়েছে।

কারনি বলেন, গত এক বছরে দুই দেশের মধ্যে যে পরিমাণ আলোচনা হয়েছে, তা গত দুই দশকের সম্পর্ককেও ছাপিয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, এটি শুধু সম্পর্ক পুনর্গঠন নয়, বরং নতুন উদ্যম ও দূরদর্শিতার ভিত্তিতে অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করার প্রয়াস। সোমবারের বৈঠকে দুই দেশই নিজেদের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল ও স্থিতিশীল করার বার্তা দেয়।

 

 

 

Advertisement