রাজ্যে ভোটের মুখে শাসকদলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অন্যতম ডিরেক্টর ঋষি রাজকে রবিবার রাতে জরুরি তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সোমবার দিল্লির ইডি দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। ইডি দপ্তরে হাজিরা না দেওয়ায় তাঁকে ফের সমন পাঠাতে পারে ইডি। এই মামলার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখছে ইডি। সূত্রের খবর, তামিলনাডুর নির্বাচনী কাজে ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে আজও হাজিরা থেকে অব্যাহতি চাইতে পারেন তিনি। এর ফলে তিনি টানা দ্বিতীয়বার ইডির সমন এড়ালেন ঋষি রাজ।
এই মামলায় ইতিমধ্যেই বিনেশ চান্দেলকে গ্রেপ্তার করেছে ইডি। সংস্থার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও নিয়ম বহির্ভূত লেনদেনের অভিযোগে তদন্ত চলছে। সূত্রের খবর, সেই আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য জানতেই ঋষি রাজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল। তবে তাঁর অনুপস্থিতি তদন্তের পরবর্তী ধাপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
Advertisement
এর আগেও প্রতীক জৈনকে কলকাতা থেকে দিল্লিতে তলব করার সময় একইসঙ্গে ঋষি রাজকেও ডাকা হয়েছিল, কিন্তু সেবারও তিনি হাজির হননি। ফলে পরপর দুইবার তলব এড়ানোয় এবার ইডি কী পদক্ষেপ নেয়, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। সম্ভাবনা রয়েছে, তাঁকে তৃতীয়বার সমন পাঠানো হতে পারে অথবা সরাসরি আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
Advertisement
এদিকে, ইডির এই তৎপরতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের পরামর্শদাতার পাশাপাশি তামিলনাড়ুর শাসকদল ডিএমকে-কেও তারা পরামর্শ দেয়। দুই রাজ্যেই সামনে বিধানসভা ভোট রয়েছে। অনেকের মতে, ভোটের আগে এই তদন্তের পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী প্রশ্ন তুলেছেন, বিনেশ চান্দেলের গ্রেপ্তারের পর আইপ্যাকের ডিরেক্টরকে তলব করা কি শাসকদলের কৌশলগত পরিকাঠামোয় চাপ সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা কিনা।
Advertisement



