হজরত নিজামউদ্দিন এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রবিবার ভোরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। কেরলের তিরুঅনন্তপুরম থেকে দিল্লিগামী ট্রেনটির একটি কামরায় প্রথম আগুন লাগে। পরে তা দ্রুত পাশের আরও একটি কামরায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনায় দু’টি কোচ সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হলেও বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে রেলকর্মীদের তৎপরতায়। সব যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে কোটা রেল ডিভিশনের লুনি ও আলট স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায়। ভোর প্রায় সওয়া ৫টা নাগাদ ট্রেনের বি-১ কোচ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন গার্ড। সঙ্গে সঙ্গে তিনি লোকো পাইলটকে সতর্ক করেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ট্রেন থামিয়ে দেওয়া হয় এবং দ্রুত যাত্রীদের নামিয়ে আনার কাজ শুরু হয়।
বি-১ কোচে সেই সময় ৬৮ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের প্রত্যেককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। পরে আগুন পাশের আরও একটি কামরায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয়দের দাবি, সময়মতো আগুন নজরে না এলে ভয়াবহ প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল।
আগুন লাগার পরই রেলের ওভারহেড বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়, যাতে পরিস্থিতি আরও জটিল না হয়। কোটা রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক রবীন্দ্র লাকড়া জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত দুই কামরাকে দ্রুত ট্রেন থেকে আলাদা করে দেওয়া হয় এবং যাত্রীদের অন্য কোচে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
কোটা পর্যন্ত তাঁদের এ ভাবেই নিয়ে যাওয়া হবে। পরে অতিরিক্ত কামরা জুড়ে ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেবে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। যদিও সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।




