• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 26 July, 2026

ইবোলা সতর্কতা জারি দিল্লি বিমানবন্দরে, নজরদারি বাড়াল কেন্দ্র

সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ডিআর কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের মতো দেশ থেকে আসা বা সেই দেশগুলির মাধ্যমে যাতায়াতকারী যাত্রীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হবে

ইবোলা সতর্কতা জারি দিল্লি বিমানবন্দরে, নজরদারি বাড়াল কেন্দ্র

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

ইবোলা ভাইরাস নিয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা আরও জোরদার করল কেন্দ্রীয় সরকার। দিল্লি বিমানবন্দরে ইবোলা সংক্রমণ রুখতে বিশেষ স্বাস্থ্য নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক এবং ডিজিএইচএস। বিশেষ করে আফ্রিকার কয়েকটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আগত যাত্রীদের উপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।
সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ডিআর কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের মতো দেশ থেকে আসা বা সেই দেশগুলির মাধ্যমে যাতায়াতকারী যাত্রীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হবে। যদি কোনও যাত্রীর মধ্যে জ্বর, দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা, বমি, ডায়রিয়া, গলায় অস্বস্তি বা অজানা রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা যায়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্য পরীক্ষার আওতায় আনা হবে।

এছাড়াও, ইবোলা আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তির রক্ত কিংবা শরীরের অন্য কোনও তরলের সংস্পর্শে এসে থাকলে তা বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের অবিলম্বে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের আগেই যাত্রীদের স্বাস্থ্য ডেস্কে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। ডিজিএইচএসের নির্দেশ অনুযায়ী, কেউ যদি বিদেশ থেকে ফিরে আসার পর ২১ দিনের মধ্যে ইবোলার কোনও উপসর্গ অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং নিজের ভ্রমণের তথ্য স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিধিনিষেধে সহযোগিতা করার আবেদনও জানিয়েছে সরকার।

সরকার স্পষ্ট করেছে, এখনও পর্যন্ত ভারতে ইবোলা ভাইরাসের কোনও সংক্রমণ ধরা পড়েনি। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইবোলা পরিস্থিতিকে জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। ইবোলা একটি অত্যন্ত প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ। এটি মানুষের পাশাপাশি কিছু প্রাণীর মধ্যেও ছড়ায়। সাধারণত বাদুড়, বাঁদর বা অন্য বন্য প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে এই ভাইরাস প্রবেশ করে। পরে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, শরীরের তরল, পোশাক বা ব্যবহৃত জিনিসের সংস্পর্শে অন্যদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে।