• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 23 October, 2026

সৌরভ-আশুতোষ-অজিঙ্ককে তলব করল দিল্লি পুলিশের অপরাধদমন শাখা, জেলমুক্তির পরই সমন

অন্যদিকে সিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশ অমান্য, অনুপ্রবেশ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া

সৌরভ-আশুতোষ-অজিঙ্ককে তলব করল দিল্লি পুলিশের অপরাধদমন শাখা, জেলমুক্তির পরই সমন

CJP Leaders Summoned Photo-SNS

তিহাড় জেল থেকে মুক্তির কয়েকঘণ্টা পরেই আবার বিপাকে সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা। এবার ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতাকে সমন পাঠাল দিল্লি পুলিশের অপরাধদমন শাখা। বৃহস্পতিবারই তাঁদের হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই আশুতোষ এবং সৌরভের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক মামলা অপরাধদমন শাখায় হস্তান্তর করেছে দিল্লি পুলিশ। ডাকা হয়েছে সিজেপির আর এক নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেকেও। যন্তর মন্তরে ঢুকে জাতীয় পতাকা ওড়ানো এবং স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় দুটি এফআইআর করেছিল পুলিশ। দুটি মামলার তদন্তভারই তুলে দেওয়া হয়েছে অপরাধদমন শাখার হাতে। তারা তিন নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়।

এদিকে যন্তর মন্তরে অনুপ্রবেশের অপরাধে একসপ্তাহ জেলে কাটিয়েছেন দুই সিজেপি নেতা। এবার দিল্লি পুলিশের অপরাধদমন শাখার মুখোমুখি হতে হবে তাঁদের। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৮৮ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে সমন পাঠানো হয়েছে সিজেপির নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেকেও। কনট প্লেস এবং পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দুই থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। দুটি অভিযোগই অপরাধদমন শাখার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজোরি গার্ডেনের দপ্তরে হাজিরা দিতে হবে দুই সিজেপি নেতাকে। গত ১৩ অক্টোবর লোহার গেট টপকে যন্তর মন্তরে ঢুকেছিলেন সৌরভ, আশুতোষ এবং শিন্ডে। তার আগের দিনই যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি নিষিদ্ধ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ওই ঘটনায় সিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে শান্তি ভঙ্গের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অন্যদিকে সিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশ অমান্য, অনুপ্রবেশ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া, আঘাত করা-সহ নানা অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ১৩ অক্টোবর ব্যারিকেড টপকে যন্তরমন্তরে ঢুকে তেরঙ্গা উড়িয়েছিলেন সিজেপির এই নেতারা। কিছুক্ষণ দৌড়ের পর পুলিশ তাঁদের পাকড়াও করে। ওই অপরাধের ভিত্তিতেই একগুচ্ছ অভিযোগ দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। ওই অভিযোগের তদন্ত এবার দেওয়া হয়েছে অপরাধদমন শাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের হাতে।

তাছাড়া প্রথমে আটক করার পর অজিঙ্ক এবং বাকি কর্মীদের পুলিশ ছেড়ে দেয়। কিন্তু গ্রেপ্তার করা হয় সৌরভ এবং আশুতোষকে। আগেও শান্তি ভঙ্গ না করার বন্ডে সই করেছিলেন তাঁরা। স্পেশ্যাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের পাঁচদিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেন। পরে তা আরও দু’দিন বাড়িয়ে দেয়। একসপ্তাহ তিহাড়ে কাটানোর পর সৌরভ এবং আশুতোষ মুক্তি পেয়েছেন। ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁদের জামিন মঞ্জুর হয়েছে। তার পরদিনই দিল্লির রজৌরি গার্ডেনে অপরাধদমন শাখার দপ্তরে তিনজনকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হল। সিজেপি নেতাদের জামিন দিলেও বিচারক জানিয়েছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে। আগামী শুক্রবার স্পেশ্যাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে আবার এই মামলার শুনানি রয়েছে।