• facebook
  • twitter
Saturday, 16 May, 2026

নবম-দশমে তিনটি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক, জানাল সিবিএসই

নবম ও দশম শ্রেণিতে নতুন নিয়ম চালু হবে আগামী ১ জুলাই থেকেই

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ অনুযায়ী এবার নবম ও দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য তিনটি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করতে চলেছে সিবিএসই। বোর্ডের তরফে ১৫ মে জারি হওয়া নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত এই নিয়ম কার্যকর হবে। তবে নবম ও দশম শ্রেণিতে নতুন নিয়ম চালু হবে আগামী ১ জুলাই থেকেই।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পড়ুয়াদের মাতৃভাষার পাশাপাশি আরও দু’টি ভাষা পড়তে হবে। এই তিনটি ভাষাকে আর-১, আর-২ এবং আর-৩ বিভাগে ভাগ করা হয়েছে। আর-১ ও আর-২ বিভাগে থাকবে ভারতীয় ভাষা, আর-৩ বিভাগে থাকবে বিদেশি ভাষা। তবে দু’টি ভারতীয় ভাষার সঙ্গে ইংরেজির পাশাপাশি আরও একটি বিদেশি ভাষা পড়ার সুযোগও থাকবে। সেক্ষেত্রে সেটি চতুর্থ ভাষা বলে গণ্য হবে।ভারতীয় ভাষার তালিকায় রয়েছে বাংলা, তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কন্নড়, গুজরাতি-সহ একাধিক ভাষা। ইংরেজিকে বিদেশি ভাষার বিভাগে রাখা হয়েছে।

Advertisement

সিবিএসই জানিয়েছে, জাতীয় শিক্ষানীতি এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক ফর স্কুল এডুকেশন ২০২৩ অনুযায়ী এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষানীতিতে, পড়ুয়াদের স্থানীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করতে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষার পাশাপাশি দু’টি ভাষা বেছে নেওয়ার কথা আগেই বলা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই ন’টি ভারতীয় ভাষায় বই তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। আপাতত নতুন আর-৩ পাঠ্যবই না পাওয়া পর্যন্ত নবম শ্রেণির পড়ুয়ারা ষষ্ঠ শ্রেণির বই ব্যবহার করতে পারবে।

Advertisement

বোর্ডের মতে, ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ মিল রয়েছে। তাই নতুন ভাষা শেখার ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না। পাশাপাশি স্কুলগুলিকে স্থানীয় সাহিত্য, ছোটগল্প, কবিতা ও তথ্যভিত্তিক লেখা পড়ানোরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বোর্ড আরও জানিয়েছে, ১ জুলাইয়ের আগেই ১৯টি ভাষায় ষষ্ঠ শ্রেণির আর ৩ বই স্কুলগুলিতে পৌঁছে দেওয়া হবে। অতিরিক্ত সাহিত্য উপকরণ কীভাবে পড়ানো হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা আগামী ১৫ জুনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এছাড়া অনেক স্কুলে পর্যাপ্ত ভাষাশিক্ষক না থাকায় আপাতত অন্য বিষয়ের দক্ষ শিক্ষকদের দিয়েই ভাষা পড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে অনলাইন ক্লাস, শিক্ষক ভাগ করে নেওয়া এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সাহায্য নেওয়ার কথাও জানিয়েছে সিবিএসই।

Advertisement