• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 13 June, 2026

ফের বালুরঘাট থেকে উড়বে বিমান!

বালুরঘাট থেকে বিমান পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন ড. সুকান্ত মজুমদার।

দক্ষিণ দিনাজপুরের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে আরও একধাপ এগোল বালুরঘাট বিমানবন্দর চালুর পরিকল্পনা। বালুরঘাট থেকে বিমান পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যে এবার সরাসরি কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার। সোমবার নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী রামমোহন নাইডুর সঙ্গে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামোর উন্নয়ন, বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ সম্প্রসারণ এবং বিমান পরিষেবা চালুর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই উঠছিল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে জেলার উন্নয়নের জন্য এই সমস্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ড. সুকান্ত মজুমদার। সরকার গঠনের পর থেকেই একের পর এক প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে।

সোমবারের বৈঠকে বালুরঘাট বিমানবন্দরকে কার্যকরী করে তোলা এবং সেখান থেকে নিয়মিত বিমান পরিষেবা চালুর বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে উত্থাপন করেন তিনি। বৈঠক শেষে ড. মজুমদার জানান, বালুরঘাট বিমানবন্দর চালুর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব বিষয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়েছে।

তাঁর কথায়, “বালুরঘাট বিমানবন্দরকে সচল করার বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকেও পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছি। এতদিন বিমানবন্দরটি রাজ্য সরকারের অধীনে ছিল। এখন সিদ্ধান্ত হয়েছে এটি এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার হাতে তুলে দেওয়া হবে। এরপর বিমান চলাচলের উপযুক্ত পরিকাঠামো ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।”

তিনি আরও জানান, এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া ইতিমধ্যেই বিমানবন্দরটির সম্ভাবনা পর্যালোচনা শুরু করেছে এবং বালুরঘাট থেকে বিমান পরিষেবা চালুর বিষয়টি ইতিবাচকভাবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বালুরঘাট শহরের মাহিনগর এলাকায় প্রায় ৫০ একর জমির উপর অবস্থিত এই বিমানবন্দর। আশির দশকে এখান থেকে শেষবার বিমান চলাচল হয়েছিল। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় থাকার পর ২০১৬ সালে বিমানবন্দরটির সংস্কার কাজ শুরু করে রাজ্যের পূর্ত দপ্তর।

স্থানীয় বাসিন্দাদের আশা, কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বিত উদ্যোগে বহু প্রতীক্ষিত বিমান পরিষেবা চালু হলে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন উন্নত হবে, তেমনই পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক বিকাশেও নতুন গতি আসবে।