• facebook
  • twitter
Wednesday, 21 January, 2026

রামমন্দিরের ১৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে মদ ও মাংস ডেলিভারিতে নিষেধাজ্ঞা, কড়া নির্দেশ অযোধ্যা প্রশাসনের

উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, রামমন্দির ঘিরে থাকা ‘পাঁচকোশী পরিক্রমা’ এলাকার মধ্যেও অনলাইনে আমিষ খাবার সরবরাহ করা হচ্ছিল

অযোধ্যার রামমন্দির। ফাইল চিত্র

রামমন্দিরের ১৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে আর আমিষ খাবার ডেলিভারি করা যাবে না— এমনই কড়া সিদ্ধান্ত নিল অযোধ্যার প্রশাসন। প্রশাসন জানিয়েছে, পুরসভার স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও মন্দির সংলগ্ন এলাকায় অনলাইন ডেলিভারি সংস্থাগুলি আমিষ খাবার পৌঁছে দিচ্ছিল। সেই কারণেই এবার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, রামমন্দির ঘিরে থাকা ‘পাঁচকোশী পরিক্রমা’ এলাকার মধ্যেও অনলাইনে আমিষ খাবার সরবরাহ করা হচ্ছিল। উল্লেখ্য, মন্দিরের চারপাশে ১৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকাকেই পাঁচকোশী পরিক্রমা এলাকা বলা হয়। প্রশাসনের দাবি, নিয়ম ভেঙে শুধু অনলাইন ডেলিভারিই নয়, কিছু হোটেল ও হোমস্টেতেও আমিষ খাবার পরিবেশন করা হচ্ছিল। এমনকি কোথাও কোথাও অতিথিদের মদ্যপানের ব্যবস্থাও ছিল। বিষয়টি সামনে আসতেই প্রশাসন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলিকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে।

Advertisement

এর আগে, ২০২৫ সালের মে মাসে অযোধ্যা পুরসভা সিদ্ধান্ত নেয়, অযোধ্যা ও ফৈজাবাদকে সংযোগকারী ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রামপথের দু’পাশে মদ বা আমিষ খাবার বিক্রি করা যাবে না। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই নির্দেশ পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। এখনও রাস্তার পাশে বেশ কিছু দোকানে মদ বিক্রি হচ্ছে।

Advertisement

পুরসভার এক আধিকারিক জানান, রামপথের পাশে থাকা মাংসের দোকানগুলি বন্ধ করা হয়েছে। ফৈজাবাদ এলাকাতেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে মদ বিক্রি বন্ধের বিষয়টি জেলা প্রশাসনের আওতাভুক্ত বলে জানানো হয়েছে। অ্যাসিসট্যান্ট ফুড কমিশনার মানিকচন্দ্র সিংহ বলেন, মন্দিরের ১৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে অনলাইনে আমিষ খাবার ও মদ ডেলিভারির অভিযোগ এসেছে। সেই কারণেই অনলাইন ডেলিভারি সংস্থা, হোটেল ও দোকানগুলিকে লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ মানা হচ্ছে কিনা, তা নিয়মিত নজরদারিতে রাখা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

Advertisement