এই নীতির ফলে অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম, ত্রিপুরা, সিকিম, মেঘালয়, ঝাড়খণ্ড, গোয়া, দিল্লি, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের ঝাঁকি এ বছর প্যারেডে অংশ নিচ্ছে না। রোটেশন নীতির মূল লক্ষ্য হল— প্রতিটি রাজ্য যেন তিন বছরের মধ্যে অন্তত একবার তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য প্রদর্শনের সুযোগ পায়।
Advertisement
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণকের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি ঝাঁকি বাছাই করে। এই কমিটিতে শিল্প, সংস্কৃতি, ভাস্কর্য ও স্থাপত্যের সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা থাকেন। প্রথমে ঝাঁকির নকশা ও স্কেচ দেখা হয়, পরে থ্রিডি মডেল তৈরি করা হয়। সঙ্গীত, রং এবং বার্তার যথার্থতা বিচার করেই চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
Advertisement
এ বছর সাধরণতন্ত্র দিবসের বিশেষ আকর্ষণ হল জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি। এই উপলক্ষ্যে পুরো অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে ‘স্বাধীনতার মন্ত্র: বন্দে মাতরম এবং সমৃদ্ধির মন্ত্র: আত্মনির্ভর ভারত’— এই দুটি থিমে। মোট ৩০টি ঝাঁকি প্যারেডে অংশ নেবে, যার মধ্যে ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং ১৩টি কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ের ঝাঁকি রয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অসম, মণিপুর ও নাগাল্যান্ড পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবে। গুজরাট ও মহারাষ্ট্র থাকবে পশ্চিম ভারত থেকে। উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব, জম্মু-কাশ্মীর, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড় উত্তর ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবে। দক্ষিণ ভারত থেকে থাকবে তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরি।
এছাড়া, দর্শকদের বসার জায়গার নাম রাখা হয়েছে গঙ্গা, যমুনা, গোদাবরীর মতো নদীর নামে। দেশজ রং আরও উজ্জ্বল করতে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৪০০ জন জনজাতীয় অতিথিকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে, এবারের সাধারণতন্ত্র দিবস হতে চলেছে ঐতিহ্য, আধুনিকতা ও জাতীয় গৌরবের এক অনন্য মিলনমেলা।
Advertisement



