• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 1 August, 2026

সেনাবাহিনীতে ‘এলিট প্রযুক্তি’র ইউনিট সৃষ্টিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

দিল্লি, ১৯ মার্চ– কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে তর্ক-বিতর্কের শেষ নেই৷ একদিকে যেমন শ্রষ্টাকর্তাই বলছেন বিশ্বের চাকরির বাজার শেষ করে দেবে এআই৷ আবার অন্যদিকে এই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নতির পথে এগোতে চাইছে দেশের সেনাই৷ এআই ব্যবহার করে কয়েক প্রজন্ম পরের যুদ্ধকৌশল নীতি অবলম্বন করতে চলেছে দেশের সেনাবাহিনী৷ যাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করে সেনাবাহিনীতে একটি ‘এলিট

সেনাবাহিনীতে ‘এলিট প্রযুক্তি’র ইউনিট সৃষ্টিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

3d rendering humanoid robot with ai text in ciucuit pattern

দিল্লি, ১৯ মার্চ– কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে তর্ক-বিতর্কের শেষ নেই৷ একদিকে যেমন শ্রষ্টাকর্তাই বলছেন বিশ্বের চাকরির বাজার শেষ করে দেবে এআই৷ আবার অন্যদিকে এই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নতির পথে এগোতে চাইছে দেশের সেনাই৷ এআই ব্যবহার করে কয়েক প্রজন্ম পরের যুদ্ধকৌশল নীতি অবলম্বন করতে চলেছে দেশের সেনাবাহিনী৷ যাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করে সেনাবাহিনীতে একটি ‘এলিট প্রযুক্তি’র ইউনিট অন্তর্ভুক্ত করার দিকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় কোমর বাঁধছে ভারত৷

আগামী দিনে যুদ্ধ কৌশল শক্তি ও সামর্থের চেয়েও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে সিগন্যাল বা যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর৷ যার হাতে যত দ্রুত যোগাযোগ কৌশল-অস্ত্র থাকবে, সে তত এগিয়ে থাকবে রণনীতিতে৷ আর সেই দূরদৃষ্টির কথা মাথায় রেখে ভারতীয় সেনাবাহিনী সিগন্যালস টেকনোলজি ইভ্যালুয়েশন অ্যান্ড অ্যাডাপটেশন গ্রুপ (এসটিইএজি) নামে একটি এলিট ইউনিট গডে় তুলতে চলেছে৷

সেনাবাহিনীর এক উচ্চ পদাধিকারী জানান, এই সময়ে তো বটেই ভবিষ্যতে অতি-উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাই হবে যে কোনও বাহিনীর মূল অস্ত্র৷ যুদ্ধক্ষেত্রে যেভাবে প্রযুক্তির ব্যবহারে দ্রুত বিবর্তন ঘটছে, তাতে যার হাতে যত উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকবে, তারা তত এগিয়ে থাকবে৷ আধুনিক যুদ্ধে জওয়ানদের কাছে বাধাহীন ও দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা তুলে দেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি৷

তথ্যপ্রযুক্তির এই এলিট ইউনিট স্টেয়াগ ১২ লক্ষ জওয়ানের কাছে শক্তিশালী ডিজিটাল যোগাযোগ পৌঁছে দেবে, সেই লক্ষ্যেই এগচ্ছে ভারত৷ এই ইউনিটের মাথায় থাকবেন কর্নেল পদের একজন অফিসার৷ এই টিম তারযুক্ত এবং তারবিহীন দুরকমেরই প্রযুক্তিকে নিখুঁত বাধাহীনভাবে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা হবে৷ তাঁর মতে, এর ফলে সশস্ত্র বাহিনী এবং তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প ও গবেষণার মধ্যে সেতুবন্ধন ঘটবে৷