• facebook
  • twitter
Wednesday, 7 January, 2026

সোনা পাচার: মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার ৫

মোট চারটি অভিযানে ১০ কেজিরও বেশি সোনা বাজেয়াপ্ত করেছে কাস্টমস

প্রতীকী চিত্র

বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সোনা পাচারে অভিযুক্ত কন্নড় অভিনেত্রী রান্যা রাওয়ের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সোনা পাচারের অভিযোগে মুম্বই থেকে গ্রেপ্তার করা হল ৫ জনকে। মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১০ কেজিরও বেশি সোনা। বাজেয়াপ্ত সোনার বর্তমান বাজারমূল্য ৮.৪৭ কোটি টাকা। সোনা পাচারের ঘটনায় ৩ বেসরকারি বিমানবন্দর কর্মী-সহ মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 সোমবার মুম্বই বিমানবন্দরের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, মোট চারটি অভিযানে ১০ কেজিরও বেশি সোনা বাজেয়াপ্ত করেছে কাস্টমস । ১৩ থেকে ১৫ মার্চের মধ্যে মোট চারটি অভিযানে হাতে এসেছে কোটি কোটি টাকার গয়না। অভিযুক্তরা পোশাক এবং অন্তর্বাসের মধ্যে লুকিয়ে পাচারের চেষ্টা করছিল। 
 
একটি ক্ষেত্রে, ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক কর্মীকে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর প্যান্টের পকেটে লুকিয়ে রাখা মোমের মধ্যে সোনার ৬ টি ডিম্বাকৃতি ক্যাপসুল খুঁজে পান শুল্ক আধিকারিকরা। উদ্ধার হওয়া সোনার মোট ওজন ছিল ২৯৩৬ গ্রাম এবং মোট ওজন ছিল ২৮০০ গ্রাম। এর বর্তমান মূল্য ২.২৮ কোটি টাকা। বিমানবন্দরের কর্মীকে শুল্ক আইন, ১৯৬২-র অধীনে গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্য একটি অভিযানে, কর্মরত বিমানবন্দরের এক কর্মীকে শুল্ক আধিকারিকরা তল্লাশি চালিয়ে ৭টি ডিম্বাকৃতি ক্যাপসুল খুঁজে বের করেন। তাঁর অন্তর্বাসে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল এগুলি। এগুলির মোট ওজন ছিল ৩০৩১ গ্রাম এবং মোট ওজন ছিল ২৯০০ গ্রাম। বাজেয়াপ্ত সোনার মূল্য ২.৩৬ কোটি টাকা। পরে ওই কর্মীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়।
 
তৃতীয় অভিযানে, বিমানবন্দরের আরেকজন বেসরকারি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরও অন্তর্বাসের মধ্যে মোমের আকারে ১.৬ কেজি ২৪ ক্যারেট সোনার ধুলো ভর্তি দু’টি থলি উদ্ধার করা হয়, যার মূল্য ১.৩১ কোটি টাকা। ঘটনায় আরও ২ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
 

অন্য একটি ঘটনায় একটি আন্তর্জাতিক বিমানের বাথরুম এবং প্যান্ট্রি থেকে আবর্জনা ভর্তি আবর্জনার ব্যাগ তল্লাশির সময় কাস্টমস আধিকারিকরা দু’টি কালো রঙের থলি খুঁজে পেয়েছেন বলে খবর। এই থলির মধ্যে খাঁটি সোনার ধুলো ছিল, যার মূল্য ২.৫৩ কোটি টাকা।

Advertisement

মুম্বই কাস্টমস বিভাগের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, চারটি ক্ষেত্রেই, বাজেয়াপ্ত সোনা শুল্ক আইন, ১৯৬২-র অধীনে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে । ঘটনার তদন্ত চলছে।  

Advertisement

Advertisement