দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনায় মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসের বলি হয়েছেন ৩৫ জন। এর ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬৬। দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫০০০ ছাড়িয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দেওয়া বুধবার সকালের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫,৭৩৪। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি বৈঠকে বসেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এই অবস্থায় দেশে লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়ানোর বিষয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু হয়েছে।
Advertisement
করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দেশে যে ভাবে বাড়ছে, তাতে বিভিন্ন রাজ্য সরকার ও বিশেষজ্ঞরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছে। সরকার বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে বলে খবর।
Advertisement
সোমবারই তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও প্রধানমন্ত্রীর কাছে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে লকডাউন তুলে নেওয়া হলে বহু প্রাণ দিয়ে তার মূল্য চোকাতে হবে বলেও আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন।
উত্তরপ্রদেশের এক শীর্ষ আমলাও একই কথা বলেছিলেন। তাঁর মত ছিল, ১৪ এপ্রিল লকডাউন তুলে নেওয়া মোটেই ঠিক সিদ্ধান্ত হবে না। পঞ্জাবের এক আমলাও একই মত পোষণ করেছিলেন।
গত শুক্রবার মহারাষ্ট্রের এক মন্ত্রী বলেন, ১৪ এপ্রিল লকডাউন তুলে নেওয়া ঠিক হবে না। মঙ্গলবার উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডুও বলেন, লকডাউনের শেষ সপ্তাহ খুবই জটিল। করোনা আক্রান্তের বৃদ্ধির তথ্য থেকে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নানা বিশেষজ্ঞও একই মত দিয়েছেন বলে দাবি করেছে সুত্র।
করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৫ মার্চ জাতির উদ্দেশে ভাষণে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর দিন যত গড়িয়েছে, ততই লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির জল্পনা গাঢ় হয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বারবারই দাবি করা হয়েছিল যে, লকডাউনের মেয়াদ বাড়ছে না।
তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যখন বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধি ও বিষেশজ্ঞরা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষেই সওয়াল করছেন, তখন বিষয়টি উড়িয়ে দিতে চায়নি কেন্দ্র। সবদিক বিচার করে এ বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
Advertisement



