• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 4 August, 2026

আগাম শনাক্তকরণেই পাল্টাচ্ছে ভারতে স্তন ক্যান্সারের চিত্র

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ২০৫০ সালের মধ্যে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা হবে ৩২ লক্ষ। মৃত্যুর হার হবে ১১ লক্ষ

আগাম শনাক্তকরণেই পাল্টাচ্ছে ভারতে স্তন ক্যান্সারের চিত্র

স্তন ক্যানসার একসময় নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে এখন আগাম শনাক্তকরণ ও উন্নত চিকিৎসার ফলে বহু ক্ষেত্রেই এটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য রোগে পরিণত হয়েছে। স্বাস্থ্য রিপোর্ট বলছে, ২০২২ সালে প্রায় ৬ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে স্তন ক্যান্সারে। ১৮৫টি দেশের মধ্যে ১৫৭টিতেই মহিলারা এতে আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ২০৫০ সালের মধ্যে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা হবে ৩২ লক্ষ। মৃত্যুর হার হবে ১১ লক্ষ।

সম্প্রতি এক সমীক্ষার পর কলকাতার আরজি হাসপাতাল জানিয়েছে, ২০২৫ সালে ভারতে প্রায় ২.৪ লক্ষ নতুন স্তন ক্যান্সারের ঘটনা ধরা পড়েছে। আগে যেখানে ৫৭ শতাংশের বেশি রোগীর ক্ষেত্রে রোগ শেষ পর্যায়ে ধরা পড়ত এবং বেঁচে থাকার হার ৪০ শতাংশের নিচে নেমে যেত, এখন প্রথম পর্যায়ে ধরা পড়লে পাঁচ বছরের বেঁচে থাকার হার ৯০ শতাংশেরও বেশি।

ভারত ও অন্যান্য দেশে তুলনামূলক কম বয়সে, গড়ে ৪৫ বছর বয়সে এই রোগ ধরা পড়ছে। শহরাঞ্চলে ম্যামোগ্রামের সুযোগ বেশি থাকলেও গ্রামে ৭০ শতাংশ রোগী তৃতীয় বা চতুর্থ পর্যায়ে শনাক্ত হন। জাতীয় সমীক্ষা অনুযায়ী, মাত্র ১ শতাংশেরও কম মহিলা নিয়মিত ম্যামোগ্রাম করান। তবে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের মাধ্যমে ৩০ বছরের বেশি বয়সি মহিলাদের স্ক্রিনিং জোরদার করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাসে একবার স্ব-পরীক্ষা, বছরে একবার ক্লিনিক্যাল ব্রেস্ট পরীক্ষা এবং ঝুঁকিপূর্ণদের জন্য ৪০ বছর বয়সের পর ম্যামোগ্রাম অত্যন্ত জরুরি। সরকার ১৯টি স্টেট ক্যান্সার ইনস্টিটিউট ও ২০টি টারশিয়ারি কেয়ার সেন্টারের মাধ্যমে পরিষেবা বাড়াচ্ছে।