• facebook
  • twitter
Saturday, 31 January, 2026

তিন দশকে ক্যান্সার আক্রান্ত বেড়ে ৮০ শতাংশ

ক্যান্সার এখনো গোটা বিশ্বে এক মারণ রোগ। এই রোগ কমাতে বিশ্বে নানান ওষুধ-পদ্ধতি আবিষ্কার হলেও এই রোগ কম তো দূর বেড়েছে চোখে পড়ার মত। এমনটি বলছে এক গবেষণা। এক গবেষণায় বলা হয়, ৫০ বছরের কম বয়সিদের মধ্যে ক্যান্সার আক্রান্তের ঘটনা গত কয়েক দশক ধরে বিশ্বের বিভিন্ন অংশে বাড়ছে। ৫০ বছরের নিচে ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা গত

ক্যান্সার এখনো গোটা বিশ্বে এক মারণ রোগ। এই রোগ কমাতে বিশ্বে নানান ওষুধ-পদ্ধতি আবিষ্কার হলেও এই রোগ কম তো দূর বেড়েছে চোখে পড়ার মত। এমনটি বলছে এক গবেষণা। এক গবেষণায় বলা হয়, ৫০ বছরের কম বয়সিদের মধ্যে ক্যান্সার আক্রান্তের ঘটনা গত কয়েক দশক ধরে বিশ্বের বিভিন্ন অংশে বাড়ছে। ৫০ বছরের নিচে ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা গত তিন দশকে বেড়েছে প্রায় ৮০ শতাংশ। সাম্প্রতিক সময়ের একটি গবেষণায় এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

গবেষণায় দেখা যায়, ১৯৯০ সালে বিশ্বে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় ১৮ লাখের একটু বেশি। কিন্তু এই সংখ্যা ২০১৯ সালে বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩৩ লাখের কাছাকাছিতে। এই রোগে ৪০, ৩০ বা তার চেয়ে কম বয়সিদের মৃত্যুর হার বেড়েছে ২৭ শতাংশ। তাছাড়া ৫০ বছরের নিচে ১০ লাখের বেশি মানুষ প্রতি বছর ক্যান্সারে মারা যান বলেও জানানো হয়েছে। ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা কেন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে তা বোঝার ক্ষেত্রে এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বিশেষজ্ঞরা। বিএমজে অনকোলজিতে প্রকাশিত গবেষণার লেখকরা খারাপ খাদ্যাভ্যাস, অ্যালকোহল ও তামাক, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও স্থূলতাকে অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করেছেন।

Advertisement

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯০ সালের পর থেকেই ক্যান্সারে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে নাটকীয়ভাবে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, তামাক ও অ্যালকোহল সেবনের সীমাবদ্ধতা ও নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা কমতে পারে।

এর আগের এক গবেষণায় বলা হয় ৫০ বছরের কম বয়সিদের মধ্যে ক্যান্সার আক্রান্তের ঘটনা গত কয়েক দশক ধরে বিশ্বের বিভিন্ন অংশে বাড়ছে। স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের হ্যাংঝোতে ঝেজিয়াং ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের নেতৃত্বে সর্বশেষ গবেষণায় অল্প বয়স্কদের জন্য ঝুঁকির কারণগুলো দেখা হয়। তাছাড়া আগের গবেষণায় বেশির ভাগই আঞ্চলিক ও জাতীয় পার্থক্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু এই বৈশ্বিক গবেষণায় ২০৪টি দেশ থেকে ২৯ ধরনের ক্যান্সারকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

Advertisement