ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই ভাঙড়ের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।তৃণমূলের অভিযোগ, জয়ী আইএসএফের নেতা-কর্মীরা একাধিক স্থানে হামলা চালিয়েছে এবং রাতভর অশান্তি সৃষ্টি করেছে। বাড়ি ভাঙচুর, মারধর এবং হুমকির মতো ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নিমকুড়িয়া গ্রাম বিশেষভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যেখানে একাধিক পরিবার আক্রান্ত হওয়ার কথা জানা গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, এক প্রৌঢ় গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তৃণমূল সমর্থক ফিরোজ মোল্লা অভিযোগ করেছেন, তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। তাঁর দাবি, আইএসএফের বুথ সভাপতির নেতৃত্বে প্রায় পঞ্চাশ জনের একটি দল তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায়। তাঁর দাদার মাথায় বন্দুকের বাট দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তাঁকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আহত করা হয়। তাঁর বাবার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
Advertisement
এছাড়াও, তৃণমূল কর্মী হাকিম আলি মোল্লা, তাঁর স্ত্রী আয়েশা বিবি, ছেলে ফরিদ আলি মোল্লা এবং পুত্রবধূ রোজিনা বিবিকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সকালে নিমকুড়িয়ায় তৃণমূলের পতাকা না খোলাকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তেজনা ছড়ায় এবং এক কর্মীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে।
Advertisement
অন্যদিকে, ভাঙড়ের বেঁওতা অঞ্চলে এক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে ভাঙচুর ও সিসি ক্যামেরা ভাঙার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপি বা আইএসএফ কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি।
Advertisement



