শুক্রবার নির্বাচনের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভোটকর্মী সৈকত চট্টোপাধ্যায়কে মারধরের ঘটনায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হল। গ্রেপ্তার ২ সরকারি কর্মীরা হলেন, নিজামুদ্দিন সর্দার ও মানস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের গ্রেপ্তার করল রানাঘাট থানার পুলিশ।
জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত নিজাম উদ্দিন সর্দার হাঁসখালি সমষ্টি উন্নয়ন অফিসের পঞ্চায়েত দপ্তরের কর্মী। অন্য দিকে, অভিযুক্ত মানস বন্দ্যোপাধ্যায় ওসি ইলেকশন পদে কর্মরত ছিলেন ব্লক অফিসে। ধৃতদেরকে শনিবার রানাঘাট আদালতে তোলা হয়।
Advertisement
শুক্রবার রানাঘাটের দেবনাথ ইনস্টিটিউশন ফর বয়েজ স্কুলে ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণ ছিল। সেই প্রশিক্ষণে হঠাৎই প্রজেক্টারে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি-সহ একটি বিজ্ঞাপন চলে আসে। নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে সরব হন ভোট কর্মী সৈকত চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগ, এই বিজ্ঞাপনের বিরোধিতা করতে গেলে তাঁর উপর চড়াও হয় বিডিও অফিসের কয়েকজন কর্মী। তাঁকে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ ওঠে।
Advertisement
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন তথা নির্বাচন কমিশন। রাজ্য নির্বাচন কমিশন গোটা ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে জেলা নির্বাচন দপ্তরের কাছে।
এদিকে, হাঁসখালি ব্লকের বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যকেও শোকজ করেন জেলাশাসক। জেলাশাসক শ্রীকান্ত পল্লী বলেন, প্রশিক্ষণকেন্দ্রে দায়িত্বরত বিডিওর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন তাঁর উপস্থিতিতে এই পরিস্থিতি তৈরি হল। তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
Advertisement



