আজ উল্টোরথ যাত্রা। উল্টো রথে সেভাবে কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে না। সারাদিন ধরেই চলে উল্টো রথযাত্রার উদযাপন। সকাল থেকেই শুরু হয়ে যায় আরাধনা ও উৎসবের তোড়জোড়। মূল উৎসবের সূচনা হয় যখন মাসির বাড়ি থেকে জগন্নাথ, বলরাম এবং দেবী সুভদ্রার রথ মন্দিরের উদ্দেশে যাত্রা করে।
প্রভু জগন্নাথদেবে নিজ বাড়িতে ফিরে আসার শুভ লগ্নই উল্টোরথ বলে পরিচিত। উল্টো রথের দিন জগন্নাথদেবের রথ ‘নন্দীঘোষ’, বলরামের ‘তালধ্বজ’ এবং দেবী সুভদ্রার ‘দর্পদলন’ ‘গুণ্ডিচা’ মন্দির বা মাসির বাড়ি থেকে মন্দিরে আসে।
রথযাত্রার সপ্তম বা নবম দিনে মাসির বাড়ি থেকে মন্দিরে ফিরে আসেন তিন ভাইবোন। ওড়িশায় এই যাত্রাকে ‘বাহুড়া’ যাত্রা বলা হয়। আজও পুরীতে উপচে পড়া ভিড়। কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিভিন্ন দিক থেকে চলছে নজরদারি। ভক্তদের সমাগমে নিরাপত্ত ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
রথযাত্রা ঘিরে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পশ্চিমবঙ্গ। মাহেশের রথ থেকে মহিষাদল রাজবাড়ির রথযাত্রা ঘিরে চোখে পড়ে উন্মাদনার ছি। উল্টোরথের আগের দিন রীতি মেনে গুপ্তিপাড়ার ঐতিহ্যবাহী ভাণ্ডর লুট অনুষ্ঠিত হয়। হুগলির গুপ্তিপাড়ার ২৮৬ বছরের প্রাচীন রথযাত্রা উৎসবের অন্যতম বৈশিষ্ট্য এই প্রথা। যা হাজার হাজার মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
বৃহস্পতিবার গুপ্তিপাড়ার ঐতিহ্যবাহী ‘ভাণ্ডার লুট’ প্রথায় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গের উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। ‘ভাণ্ডার লুট’ প্রত্যক্ষ্য করার পাশাপাশি ‘জয় জগন্নাথ’ ধ্বনিও দেন।




