বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত মাইক্রো অবজারভারদের কার্যদক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। শনিবার জারি হওয়া নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনে গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না এবং কর্তব্যে অবহেলা প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নির্দেশ অনুযায়ী, মাইক্রো অবজারভারদের মূল দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে, এনুমারেশন ফর্মে ডিজিটাইজড এন্ট্রি যাচাই, ভোটার তালিকার সঙ্গে জন্ম ও মৃত্যুর নথির মিল, যাদের নোটিস পাঠানো হয়েছে তাদের জমা দেওয়া নথি পরীক্ষা, দাবিদাওয়া ও আপত্তির ক্ষেত্রে দাখিলকৃত কাগজপত্র যাচাই এবং শুনানির সময় ইলেক্টরের সঙ্গে ইআরও/এইআরও-এর যৌথ ছবি তুলে নির্দিষ্ট সময়ে আপলোড করা। এছাড়াও ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় কোনও বিচ্যুতি বা অসঙ্গতি ধরা পড়লে তা রিপোর্ট করা তাঁদের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
Advertisement
তবে রাজ্যের বিভিন্ন শুনানি কেন্দ্রে কমিশনের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বহু জায়গায় মাইক্রো অবজারভাররা নির্ধারিত কাজ যথাযথভাবে পালন করছেন না। এমনকি শুনানিতে আসা ভোটারদের স্বাক্ষর যাচাইয়ের কাজও ঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে না বলে রিপোর্ট এসেছে।
Advertisement
এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, মাইক্রো অবজারভারদের নির্ধারিত দায়িত্ব ‘পূর্ণদায়িত্বের সঙ্গে’ সম্পন্ন করতে হবে। কোনও ধরনের গাফিলতি বা অবহেলা ধরা পড়লে কঠোর শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশাসনিক মহলের মতে, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোরের আবহে এই সতর্কবার্তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কমিশনের নির্দেশ মেনে যাচাই ও নজরদারির কাজ ‘নিখুঁতভাবে’ সম্পন্ন করতে হবে— এটাই মূল বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে।
Advertisement



