এনকাউন্টারে মৃত বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনে অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল। ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে মঙ্গলবার রাত পৌনে একটা নাগাদ ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয় প্রভাসকে। সেখানে পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে গুলি করে পালানোর চেষ্টা করে। এরপর আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। আর তাতেই মৃত্যু হয় প্রভাস মণ্ডলের, পুলিশ সূত্রে খবর। এনকাউন্টার ঘটনায় রাজ্য-রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
তবে এই ঘটনাই প্রথম নয়। এর আগেও পশ্চিমবঙ্গে এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে। নিচে একটি তালিকা দেওয়া হল।
২০০৯ (কল্যাণী ফেক এনকাউন্টার): ১৯৯৭ সালের একটি ভুয়ো এনকাউন্টার মামলায় নদিয়ার কল্যাণী ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বেঙ্গল পুলিশের দুই অফিসারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।
২০২১ (নিউ টাউন এনকাউন্টার): ৯ জুন, ২০২১ সালে কলকাতার নিউ টাউনে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) ও পাঞ্জাবের দুই গ্যাংস্টারের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। এতে জয়পাল ভুল্লার এবং জসপ্রীত সিং নামের দুই গ্যাংস্টার নিহত হন।
২০২৫ (উত্তর দিনাজপুর এনকাউন্টার): ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫ সালে উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখরে পুলিশের গুলিতে সাজ্জাক আলম নামে এক অভিযুক্ত নিহত হন। পুলিশ হেফাজত থেকে পালানোর পর তার গুলিতে দুই পুলিশ কর্মী আহত হলে, পুলিশের পাল্টা গুলিতে তিনি মারা যান।
২০২৬ (বারুইপুর ঘটনা): ৮ জুলাই, ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে এক অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারাল।
পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে বারুইপুরকাণ্ডে অন্যতম এক অভিযুক্তের। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে গুলি চালিয়েছিল ওই অভিযুক্ত। পাল্টা পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে তার। ছেলের মৃত্যুর খবর পুলিশের কাছ থেকে পেয়েছেন মৃত অভিযুক্তের মা। ছেলের মৃত্যুতে দুঃখিত নন তিনি। স্পষ্ট জানালেন, ছেলের মৃতদেহ আনতেও হাসপাতালে যাবেন না তিনি।




