এদিন শতদ্রু দাবি করেছেন, প্রশাসনিক চাপেই তাঁকে একাধিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানের ব্যর্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাঁর কথায়, তাঁকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছিল। এমনকি ৩৮ দিন জেলে কাটানোর কথাও উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন, এতদিন পরিবারকে রক্ষা করতেই চুপ ছিলেন। অরূপ বিশ্বাসের পরাজয়ের প্রসঙ্গ টেনে শতদ্রু লিখেছেন, ‘এবার আর চুপ নয়, সত্য সামনে আনবই।’ খুব শীঘ্রই সাংবাদিক সম্মেলন করে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের কথাও জানিয়েছেন শতদ্রু।




